Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাকিস্তানে সংবিধান সংশোধন নিয়ে ব্যাপক সমস্যা। সংবিধান সংশোধনের বিরুদ্ধে সরব হয়ে পদত্যাগ করলেন আরও এক পাকিস্তানি বিচারপতি (Pakistan)। ইস্তফা দিলেন লাহোর হাইকোর্টের এক বিচারপতি। বৃহস্পতিবার একই বিষয়ে গলা চড়িয়ে পদত্যাগ করেছেন পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি।
সংবিধান সংশোধনে গণতন্ত্র খর্ব (Pakistan)
সম্প্রতি পাকিস্তানের সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাঁর জন্য বিশেষ আইনি রক্ষাকবচের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। পাক সেনা সর্বাধিনায়কের বিরুদ্ধে কোনও মামলা করা যাবে না আদালতে। এর পাশাপাশি খর্ব করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতাও। সংশোধনী অনুসারে, সংবিধান সংক্রান্ত যাবতীয় মামলার ভার সুপ্রিম কোর্টের হাত থেকে কেড়ে নতুন সাংবিধানিক আদালতে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এর ফলে পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আরও দুর্বল হবে। শক্তিশালী হবে সেনাবাহিনী (Pakistan)।
জারদারির অনুমোদনে সংশোধনী
এই সংশোধনীতে ইতিমধ্যে অনুমোদন দিয়েছেন পাক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। তার পর পরই গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে পদত্যাগ করেন বিচারপতি সৈয়দ মনসুর আলি শাহ এবং বিচারপতি আথার মিনাল্লাহ। তাঁদের বক্তব্য, এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারব্যবস্থা এবং সংবিধানের অপমান করা হয়েছে। এ বার পদত্যাগ করলেন লাহৌর হাই কোর্টের বিচারপতি শামস মেহমুদ মির্জাও।

আরও পড়ুন: Bangladesh: রায় ঘোষণার দিন ঢাকায় তীব্র উত্তেজনা, শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা
প্রতিবাদের আঁচ ছড়াল হাইকোর্টেও
সংবিধান সংশোধনীর প্রতিবাদের আঁচ পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট থেকে ছড়িয়ে পড়ল হাইকোর্টেও। আদালতের ক্ষমতা খর্বের অভিযোগের পাশাপাশি সেনার ক্ষমতাও বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তানে। গত বৃহস্পতিবার পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার ‘চিফ অফ আর্মি স্টাফ’ ফিল্ড মার্শাল মুনিরকে ‘চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস’ পদে উন্নীত করার জন্য পাক সংবিধানের ২৪৩ নম্বর ধারা সংশোধনের বিল পাশ করিয়েছে। পাক সংবিধানে সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার প্রধানের মাথার উপর কোনও পদের অস্তিত্ব এতদিন ছিল না। মুনিরের জন্য বিশেষ ভাবে এই পদটি তৈরি করা হয়েছে (Pakistan)।


