Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: স্লোভাক পার্লামেন্ট সম্প্রতি একটি বিতর্কিত সংশোধনী অনুমোদন করেছে, যেখানে শহরের ফুটপাতে হাঁটার গতি ঘণ্টায় ৬ কিমি নির্ধারণ করা হয়েছে (Penalty for Fast Walking)। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই আইন কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এর উদ্দেশ্য স্কুটার, সাইকেল বা স্কেটারদের সঙ্গে পথচারীদের সংঘর্ষ কমানো।

সরকারের ব্যাখ্যা (Penalty for Fast Walking)
প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর দল স্মার পার্টি–র লুবোমির ভাজনি জানিয়েছেন, “এই আইন মূলত পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। ফুটপাথে যাতায়াতকারীদের মধ্যে দুর্ঘটনা কমানোই এর লক্ষ্য।”
বিরোধীদের প্রতিবাদ (Penalty for Fast Walking)
বিরোধী দল এবং স্লোভাক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই নিয়মকে “অযৌক্তিক” বলে কটাক্ষ করেছে। তাদের মতে, “এটি প্রকৃত সমস্যার সমাধান নয়, বরং পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থাকে শাস্তি দেবে।” প্রগ্রেসিভ স্লোভাকিয়ার মার্টিন পেকার বলেন, “যদি সংঘর্ষ কমাতে চাই, তাহলে দরকার উন্নত সাইকেল লেন অযৌক্তিক গতি সীমা নয়।”
সামাজিক মাধ্যমের বিভ্রান্তি (Penalty for Fast Walking)
আইন ঘোষণার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় রটতে থাকে যে, “দ্রুত হাঁটলে জরিমানা” করা হবে! তবে এই গুজব দ্রুত খণ্ডন করেছেন পুলিশ আধিকারিক রাস্তিস্লাভ পোলাকোভিচ। তিনি জানান, “৬ কিমি/ঘণ্টা সীমাটি পথচারীদের জন্য নয়। এটি স্কুটার ও অনুরূপ যানবাহনের গতির জন্য প্রযোজ্য।”
সাইক্লিস্ট সংগঠনের অবস্থান (Penalty for Fast Walking)
সাইক্লোকোয়ালিসিয়া জানিয়েছে, “এই সংশোধনীতে দৌড়বিদ বা হাঁটাচলা করা নাগরিকদের জন্য কোনও গতিসীমা নির্ধারিত হয়নি। দ্রুত হাঁটা বা বাস ধরতে দৌড়নো আইনভঙ্গ নয়।”
আরও পড়ুন: Jagaddhatri Puja: এই পুজো কি সত্যিই চন্দননগরেই শুরু হয়েছিল? জানা আছে এর উৎস?
বাস্তব পরিসংখ্যান
ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের গবেষণা অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের হাঁটার গড় গতি: ৪–৫ কিমি/ঘণ্টা। সুস্থ ও ফিট ব্যক্তির মাঝারি গতি: ৬.৪ কিমি/ঘণ্টা অর্থাৎ, স্লোভাকিয়ার ‘বিতর্কিত আইন’-এর প্রকৃত লক্ষ্য মানুষ নয়, বরং দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক স্কুটার ও অনুরূপ যানবাহন।



