Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Pharma Stocks Crash) ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর থেকে ব্র্যান্ডেড ও পেটেন্টযুক্ত ওষুধ আমদানির উপর ১০০% শুল্ক বসানোর ঘোষণা করার পর, ভারতের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির শেয়ারে বড় পতন দেখা গেছে। সান ফার্মা, লুপিন-সহ অন্যান্য ফার্মা স্টকগুলো এই ঘোষণার পর বাজারে চাপে পড়ে যায়।
মাটি কাটার কাজ শুরু হলেই শুল্ক এড়ানো যাবে (Pharma Stocks Crash)
ট্রাম্প তাঁর সমাজ মাধ্যম Truth Social-এ একটি পোস্টে জানান (Pharma Stocks Crash) , যেসব কোম্পানি এখনও আমেরিকায় উৎপাদন শুরু করেনি, তাদের উপর এই শুল্ক আরোপ করা হবে। তবে যেসব সংস্থা ইতিমধ্যেই মার্কিন মাটিতে উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণে হাত লাগিয়েছে, তারা এই শুল্কের আওতা থেকে মুক্ত থাকবে। ট্রাম্প স্পষ্ট করেন, ‘IS BUILDING’ শব্দবন্ধটিকে এমন কারখানা হিসেবে ধরা হবে যার নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে-অর্থাৎ মাটি কাটার কাজ শুরু হলেই শুল্ক এড়ানো যাবে।
ফার্মা শিল্পের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে (Pharma Stocks Crash)
বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ ভারতের ফার্মা শিল্পের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে (Pharma Stocks Crash) পারে। ফার্মেক্সসিল-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবছরে ভারতের মোট ওষুধ রপ্তানির প্রায় ৩৫ শতাংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিল, যার আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার। চয়েস ইনস্টিটিউশনাল ইক্যুইটিজ-এর বিশ্লেষক মৈত্রী শেঠ জানিয়েছেন, এই শুল্ক মূলত ব্র্যান্ডেড ওষুধকে লক্ষ্য করলেও, জটিল জেনেরিক ও বিশেষ ধরনের ওষুধকেও পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষ করে যেসব সংস্থা মার্কিন বাজারের উপর অত্যন্ত নির্ভরশীল।
‘ধারা ২৩২’ তদন্তের অধীন
তবে ইতিমধ্যে যারা আমেরিকায় কারখানা গড়ছে বা নির্মাণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে, তারা এই ঝুঁকি থেকে অনেকটাই রক্ষা পাবে। বর্তমানে জেনেরিক, ওটিসি ওষুধ এবং বায়োলজিক্যাল ওষুধগুলো এই শুল্কের আওতায় পড়ছে না, কারণ এগুলিকে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের পৃথক ‘ধারা ২৩২’ তদন্তের অধীনে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Kothha: পুজোর আগেই পুড়ল কপাল, শেষ হচ্ছে সাহেব-সুস্মিতার ধারাবাহিক
এদিকে, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধেই ভারত থেকে আমেরিকায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের জেনেরিক ওষুধ রপ্তানি হয়েছে, যা দেশটির বাজারে ভারতের শক্ত অবস্থানের প্রমাণ। তবে আশিকা ইনস্টিটিউশনাল রিসার্চের মতে, ভবিষ্যতে যদি শুল্কের আওতা বাড়ানো হয় এবং জটিল জেনেরিককেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে তা ভারতীয় রপ্তানিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।


