Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের রঙিন আবহে (Promise Day 2026) এক আলাদা তাৎপর্যের দিন। ১১ ফেব্রুয়ারি মানেই ‘প্রমিস ডে’-যে দিনটি কেবল ফুল, চকোলেট বা উপহারের মধ্যে আটকে থাকে না, বরং সম্পর্কের গভীরে থাকা বিশ্বাস আর দায়বদ্ধতাকে নতুন করে ছুঁয়ে দেখার সুযোগ এনে দেয়। ভালোবাসা প্রকাশের উত্তেজনা যখন ধীরে ধীরে পরিণতির দিকে এগোয়, তখন এই দিনটি হয়ে ওঠে একে অপরের পাশে থাকার নীরব অথচ দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতীক।
সম্পর্কের মেরুদণ্ড হলো বিশ্বাস (Promise Day 2026)
বিশেষজ্ঞদের মতে, যে কোনও সম্পর্কের মেরুদণ্ড (Promise Day 2026) হলো বিশ্বাস। আবেগের উচ্ছ্বাসে সম্পর্ক শুরু করা যতটা সহজ, তা দীর্ঘদিন ধরে আগলে রাখা ততটাই কঠিন। প্রমিস ডে সেই জায়গাতেই গুরুত্বপূর্ণ-এটি মনে করিয়ে দেয়, ভালোবাসা মানে শুধু খুশির মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়া নয়, বরং কঠিন সময়েও একে অপরের হাত না ছাড়ার মানসিক প্রস্তুতি। তাই এই দিনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি হওয়া উচিত বাস্তবসম্মত ও পালনযোগ্য।
একে অপরের প্রতি আনুগত্যের শপথ (Promise Day 2026)
ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারি মাসকে প্রেমের মাস হিসেবে দেখার রেওয়াজ বহু পুরনো। ইউরোপের মধ্যযুগে প্রেমিক-প্রেমিকারা এই সময় একে অপরের প্রতি আনুগত্যের শপথ নিতেন। পরে উনিশ শতকে ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহ জনপ্রিয়তা পেলে তারই অঙ্গ হিসেবে প্রমিস ডে জায়গা করে নেয়। লক্ষ্য ছিল সম্পর্কের বাণিজ্যিক দিকের বাইরে গিয়ে আবেগ, বিশ্বাস আর মানসিক সংযোগকে গুরুত্ব দেওয়া।
আরও পড়ুন: Abhishek Banerjee: এসআইআর ইস্যুতে কলম ধরলেন অভিষেক, ‘অস্বীকার’ করলেন ‘মৃত্যু উপত্যকা’
আজকের দিনে প্রমিস ডে নতুন রূপ পেয়েছে। কেউ কনিষ্ঠ আঙুলে আঙুল মিলিয়ে ‘পিঙ্কি প্রমিস’ করেন, কেউ প্রমিস ব্যান্ড উপহার দেন, আবার দূরে থাকা যুগলরা ডিজিটাল বার্তায় বা ভিডিও কলে নিজেদের অঙ্গীকার জানান। তবে প্রতিশ্রুতি যতই ছোট হোক, তার মূল্য নির্ভর করে আন্তরিকতার উপর। ‘সবসময় পাশে থাকব’, ‘তোমার কথা মন দিয়ে শুনব’-এমন সাধারণ কথাই সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী করে। প্রমিস ডে আসলে সেই বিশ্বাসকেই নতুন করে জাগিয়ে তোলার দিন।


