Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রজভূমি-বিশেষ করে বৃন্দাবন (Radhe Radhe) ও মথুরার অলিগলিতে ঘুরলে একটি বিষয় সহজেই নজরে আসে। এখানকার সাধারণ সম্ভাষণ ‘রাধে রাধে’। অনেক ক্ষেত্রেই ‘কৃষ্ণ’ নামের পরিবর্তে রাধার নামই বেশি উচ্চারিত হয়। কিন্তু বৃন্দাবন তো কৃষ্ণ ভূমি। সেখানে কৃষ্ণ নাম নেওয়া যায় না কেন?
কারণ কী? (Radhe Radhe)
বৈষ্ণব আধ্যাত্মিকতায় রাধাকে শুধুমাত্র কৃষ্ণের (Radhe Radhe) সঙ্গিনী হিসেবে দেখা হয় না; তাঁকে প্রেম ও ভক্তির পরম প্রতিমা বলে মানা হয়। মতানুসারে, রাধার কৃপা ছাড়া কৃষ্ণতত্ত্বের আসল রস উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। তাই রাধার নাম জপ করলে কৃষ্ণ দ্রুত সন্তুষ্ট হন-এমন বিশ্বাসও প্রচলিত। ব্রজবাসীদের মতে, রাধা ও কৃষ্ণ আলাদা সত্তা নন, তাঁরা এক অবিচ্ছেদ্য ঐক্য-শক্তি ও শক্তিমান।

বিচ্ছেদের বেদনা (Radhe Radhe)
পৌরাণিক কাহিনিতে উল্লেখ আছে, কৃষ্ণ যখন ব্রজ ছেড়ে দ্বারকায় যান, তখন রাধা ও গোপীরা বিরহযন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন। বলা হয়, কৃষ্ণের নাম শুনলেই তাঁদের বেদনা তীব্র হয়ে উঠত। সেই আবেগঘন স্মৃতির ধারাবাহিকতায় ব্রজবাসীরা রাধার নাম উচ্চারণকে বেশি প্রাধান্য দেন। এতে বিরহের কষ্ট কম অনুভূত হয় এবং প্রেমের স্মৃতি অমলিন থাকে।

আরও পড়ুন: Abhishek Bachchan: শাহরুখ-অভিষেক জুটি ফিরছে ‘কিং’-এ, দর্শকদের উন্মাদনা তুঙ্গে!
বৃন্দাবনে রাধার নাম
রাধাকে ‘মহা-ভক্তির মূর্তি’ বলা হয়। বৈষ্ণব দর্শনে কৃষ্ণ যদি পরম পুরুষোত্তম হন, তবে রাধা তাঁর আদি শক্তি। রাধার নামের মধ্যেই প্রেম, করুণা ও আত্মসমর্পণের ভাব নিহিত-এমন ব্যাখ্যাও শাস্ত্রে পাওয়া যায়। ফলে বৃন্দাবনে রাধার নামই হয়ে উঠেছে দৈনন্দিন জীবনের অংশ। আজও ব্রজভূমিতে একে অপরকে সম্ভাষণ জানাতে মানুষ বলেন ‘রাধে রাধে’।


