Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রেপো রেট ৫.২৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই)(Repo Rate)। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক “নিরপেক্ষ” (neutral) নীতি অবস্থান বজায় রেখেছে, যেখানে একদিকে বাড়তে থাকা মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি এবং অন্যদিকে মন্থর অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সম্ভাবনার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছে।
“Wait and watch” নীতি (Repo Rate)
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মুদ্রানীতি পর্যালোচনায় ছয় সদস্যের মুদ্রানীতি কমিটি (এমপিসি) সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়। আরবিআই গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা বলেন, পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরান সংঘাত, বৈশ্বিক বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। ফলে আপাতত “Wait and watch” নীতি গ্রহণ করাই যুক্তিযুক্ত।
আন্তর্জাতিক তেলের দামে তীব্র ওঠানামা
ইরান সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক তেলের দামে তীব্র ওঠানামা দেখা গেছে, যা ভারতের মতো আমদানি-নির্ভর অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করেছে। ভারত তার মোট চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে। ফলে রুপির ওপর চাপ, বিদেশি বিনিয়োগ কমে যাওয়া এবং বাজারে অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। যদিও সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
মূল মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস
আরবিআই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ৬.৯ শতাংশ করেছে, যা আগের বছরে ছিল ৭.৬ শতাংশ। গড় মুদ্রাস্ফীতি ধরা হয়েছে ৪.৬ শতাংশ, যা ২-৬ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রয়েছে। প্রথমবারের মত মূল (core) মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে ৪.৪ শতাংশ।
তেলের দাম বাড়লে বৃদ্ধি কমতে পারে (Repo Rate)
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, গড় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৫ ডলার ধরা হয়েছে। যদি তেলের দাম ১০ শতাংশ বাড়ে, তাহলে মুদ্রাস্ফীতি ০.৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং বৃদ্ধি কিছুটা কমতে পারে।
আরও পড়ুন: US Iran Ceasefire: পশ্চিম এশিয়ায় আপাত যুদ্ধবিরতি: উভয় পক্ষের দাবি জয় তাদের
বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া (Repo Rate)
নীতির ঘোষণার পর বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। শেয়ার বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা থাকলেও বন্ডের ফলন কিছুটা বেড়েছে এবং রুপি দুর্বল রয়েছে। আরবিআই জানিয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে অতিরিক্ত অস্থিরতা রোধে তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।



