Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ঋতু বদলের এই সময়ে কলকাতায় ফের (Rota Virus) মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে পেটের সংক্রমণ। শহরের একাধিক হাসপাতালে হঠাৎ ডায়রিয়া, বমি ও জ্বরের উপসর্গ নিয়ে ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে। চিকিৎসকদের মতে, সাধারণ গ্যাস্ট্রিক সমস্যা ভেবে এড়িয়ে গেলে ভুল হবে-এর নেপথ্যে থাকতে পারে রোটা ভাইরাসজনিত ভাইরাল গ্যাস্ট্রো-এন্টারাইটিস।
রোগের লক্ষণ কী কী? (Rota Virus)
রোগীদের মধ্যে যে লক্ষণগুলি বেশি (Rota Virus) দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে বারবার পাতলা পায়খানা, বমি, পেটে মুচড়ে ব্যথা, হালকা জ্বর এবং দ্রুত শরীর থেকে জলশূন্যতা। অনেকেই প্রথমে খাবারে বিষক্রিয়া ভেবে বাড়িতে চিকিৎসা শুরু করছেন। কিন্তু উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে ও জলশূন্যতা বাড়লে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংক্রমণের হার (Rota Virus)
গত দু’সপ্তাহে শহরের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি (Rota Virus) হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে। পিয়ারলেস হাসপাতালে গত এক সপ্তাহে প্রায় ২৫ জন রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন। একইভাবে ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেল্থ-এ ফেব্রুয়ারি মাসেই ৩৫ জন শিশুর শরীরে এই সংক্রমণ ধরা পড়েছে। শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের হার তুলনামূলক বেশি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

ছড়ায় কীভাবে?
রোটা ভাইরাস সাধারণত দূষিত জল বা খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। সংক্রমণের শুরুতে তীব্র ডায়রিয়া ও বমির সঙ্গে পেটে ব্যথা দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে মাথাব্যথা ও জ্বরও থাকে। উপসর্গ তিন থেকে আট দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এই সময় শরীরে জল ও লবণের ঘাটতি তৈরি হওয়াই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।

প্রাণঘাতী ভাইরাস?
যদিও এই ভাইরাস সাধারণত প্রাণঘাতী নয় এবং এর প্রতিষেধকও রয়েছে, তবু সচেতনতা জরুরি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সুরক্ষিত জল পান করা এবং শিশুদের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের বার্তা, উপসর্গকে হালকাভাবে না নিয়ে সময়মতো ব্যবস্থা নিলেই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব।


