Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Russia) ফের শক্তি প্রদর্শন করলেন। সম্প্রতি সমুদ্রে নামানো হয়েছে নতুন প্রজন্মের পারমাণবিক সাবমেরিন ‘খাবারোভস্ক’ (Khabarovsk), যা বহন করতে পারে ভয়ঙ্কর ‘পোসেইডন’ (Poseidon) পারমাণবিক ড্রোন। ভালবেসে বা মন্দবেসে যাকে ডুমস ডে মিসাইল বলেও ডাকা হয়। রাশিয়ার জাহাজ নির্মাণ কমপ্লেক্স সেভমেশ যেখানে মোটামুটি পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরি করা হয়, সেখানেই এই ডুবোজাহাজটি লঞ্চ করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং পশ্চিমী শক্তিগুলিকে এক সাফ বার্তা।
মূল শক্তি পোসেইডন টর্পেডো (Russia)
খাবারোভস্ক শ্রেণির এই সাবমেরিন রাশিয়ার সবচেয়ে গোপন (Russia) ও আধুনিক অস্ত্র প্রকল্পগুলোর একটি। এর মূল শক্তি হলো পোসেইডন টর্পেডো—যা সমুদ্রের গভীরে হাজার কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে উপকূলে বিপুল ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে। তাত্ত্বিকভাবে এটি রেডিওঅ্যাকটিভ সুনামি সৃষ্টি করতেও সক্ষম। প্রায় একযুগের বেশি সময় ধরে এই ডুবোজাহাজের উপর কাজ করে চলেছে রাশিয়া। ২০১২ সালে প্রথম এই ডুবোজাহাজ তৈরি সংক্রান্ত চুক্তি সই করা হয়।
পুতিনের কৌশলগত সতর্কবার্তা (Russia)
বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ ও পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞার (Russia) পটভূমিতে এই সাবমেরিন নামানো পুতিনের কৌশলগত সতর্কবার্তা। তিনি বোঝাতে চাইছেন, রাশিয়া এখনও পারমাণবিক শক্তিতে অপ্রতিরোধ্য, এবং প্রয়োজনে পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতা তার রয়েছে।
আরও পড়ুন: November Weather Update: নভেম্বরে শীতের আগেই বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?
১১৩ মিটার লম্বা এই ডুবোজাহাজ জলের তলায় প্রায় ১০ হাজার টন মাল বহন করতে পারে। জলে নিচে একটানা ৯০-১২০ দিন থাকতে পারে এই সাবমেরিন।দেশের অভ্যন্তরে এই উদ্যোগকে তুলে ধরা হচ্ছে জাতীয় গর্বের প্রতীক হিসেবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রচারে এই সাবমেরিনকে নতুন প্রযুক্তির বিজয় ও শক্তিশালী মাতৃভূমির প্রতিরক্ষা হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবারোভস্কের জলযাত্রা রাশিয়ার পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে যে নয়া ঠান্ডা যুদ্ধের ছায়াতেও মস্কো পিছিয়ে নেই। পারমাণবিক প্রতিরোধের এই প্রদর্শন পুতিনের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান আরও জোরালো করতে পারে।


