Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বাদুড়িয়া ব্লকের চন্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে সরকারি পরিষেবা পেতে হলে দিতে হচ্ছে ঘুষ(Scam In Panchayat Office)। জন্ম ও মৃত্যুর সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে খোলা আঙুলে ৫০০ টাকা ‘ডোনেশন’ বাবদ নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিষয়টি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
রশিদ সহ চলছে ঘুষের আদান-প্রদান (Scam In Panchayat Office)
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জন্ম ও মৃত্যুর সার্টিফিকেট একেবারেই বিনামূল্যে মেলে(Scam In Panchayat Office)। কিন্তু চন্ডিপুর পঞ্চায়েতে নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে প্রকাশ্যে। অভিযোগ, টাকা নেওয়ার পর দেওয়া হচ্ছে রশিদও, যেখানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে—‘ডোনেশন’। স্থানীয়রা বলছেন, সরকারি কাজ করতে গিয়ে যদি টাকা দিতে হয়, তবে সেটি আসলে সাধারণ মানুষের প্রতি সরাসরি অন্যায়।
ক্ষোভে ফুঁসছে মানুষ(Scam In Panchayat Office)
স্থানীয় বাসিন্দা হাবিল মন্ডল অভিযোগ করেন, তাঁর ছেলের জন্মসার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করার সময় তাঁকে স্পষ্ট বলা হয়, ৫০০ টাকা না দিলে সার্টিফিকেট মিলবে না(Scam In Panchayat Office)। তিনি বলেন,
“আমাদের কাছ থেকে খোলাখুলি টাকা চাইছে। এটা যদি সরকারি নিয়ম না হয়, তবে আমরা কেন টাকা দেব?”
শুধু হাবিল মন্ডলই নন, আরও বহু গ্রামবাসী একই অভিযোগ তুলেছেন।
নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হল, টাকা দিলে বাংলাদেশি নাগরিকদেরও জন্মসার্টিফিকেট দিয়ে দেওয়া হয়(Scam In Panchayat Office)। এর ফলে শুধু দুর্নীতিই নয়, নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কারণ, অবৈধভাবে নাগরিকত্ব-সংক্রান্ত নথি পেয়ে গেলে আইনশৃঙ্খলার পক্ষে বড় বিপদ তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন : Israel Attack On Qatar : কাতারে ইজরায়েলি হামলায় প্রকাশ্যে ট্রাম্পের দ্বিচারিতা
কর্তৃপক্ষের ভূমিকা
ঘটনা নিয়ে পঞ্চায়েত প্রধান কোনও মন্তব্য করতে চাননি(Scam In Panchayat Office)। ব্লক অফিসারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হলেও সাড়া মেলেনি। তবে চন্ডিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুহেলিকা পারভীন জানিয়েছেন,
“এই বিষয়টা আমি প্রথম শুনলাম। যদি সত্যি এমন কিছু ঘটে থাকে, তাহলে আমি ব্যক্তিগতভাবে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।”
আরও পড়ুন : France New PM : ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন ম্যাক্রোঁ ঘনিষ্ঠ সেবাস্তিয়ান লেকর্নু
প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি
এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, সরকারি পরিষেবা যদি ঘুষ ছাড়া পাওয়া না যায়, তবে সেটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পরিপন্থী। গ্রামবাসীরা দাবি তুলেছেন, অবিলম্বে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং সরকারি পরিষেবা যেন ঘুষ ছাড়াই পাওয়া যায়।


