Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হারের দায় স্বীকার করে সঞ্জুকে প্রশংসায় ভরালেন হোপ (Shai Hope)।
সঞ্জুর প্রশংসায় হোপ (Shai Hope)
সুপার এইটের ম্যাচে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। কার কাছে হার মানতে হলো ক্যারিবিয়ানদের? ইন্ডিয়া নাকি সঞ্জু? এই প্রশ্নটা গতকাল থেকেই ঘুরছে ক্রিকেটের অন্দর মহলে। একই প্রশ্ন করা হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক হোপকে। যার উত্তরে তিনি মুচকি হেসে বলেন, মনে হয় সঞ্জু টিম ইন্ডিয়ার অঙ্গ।’ প্রসঙ্গত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একাই ম্যাচ বের করে নিয়ে এসেছেন সঞ্জু। এক সময় ডাগ আউটটে বসে থাকতে হয়েছে তাকে তারপর সুযোগ পেয়েও বড় ইনিংস না খেলতে পারার কারণে তাঁর দলে থাকা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই সবের উত্তর তিনি দিয়ে এলেন ইডেনের মাঠে (Shai Hope)।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদব। সেই শিশিরের কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক আর সেই সিদ্ধান্ত যে সঠিক ম্যাচ শেষে সেটাই প্রমাণিত হলো। সেই একই কথা স্বীকার করে নিয়েছেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক সাই হোপ। তিনি বলেন পরের দিকে শিশিরের জন্য ব্যাটিং করতে সুবিধা হয় আর তারই ফায়দা তোলেন সঞ্জু। তবে তাঁর কৃতিত্ব কোনও ভাবেই খাটো করেননি হোপ। তিনি বলেন, ‘ইডেনের উইকেট ভাল ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং সহজ হয়ে যায়। তবে সঞ্জুর কৃতিত্ব খাটো করব না। ও ভাল প্লেয়ার। এতবছর ধরে একটানা খেলছে। ওকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। ও খুব পরিকল্পনা মাফিক ইনিংস সাজিয়েছে। বুদ্ধিদীপ্ত, অঙ্ক কষা ক্রিকেট। ওর পারফরম্যান্স এ প্লাস।’

আগের দিন সৌরভ গাঙ্গুলি জানিয়েছিলেন ইডেনের এই পিচে ২০০ প্লাস রান হবে। সেই দিক থেকে দেখলে ২৫-৩০ রান কম করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটাররা। এর জন্য সাই হোপ নিজেকেই দায়ী করেছেন। ক্যারিবিয়ান ওপেনাররা পাওয়ার প্লে-কে সেই ভাবে কাজে লাগাতে পারেননি বলেই জানান তিনি। যার মধ্যে হোপের মন্থর ব্যাটিংও দায়ী। আর সেটিকেই হারের অন্যতম কারণ হিসেবে জানিয়েছেন হোপ। হোপ বলেন, ‘আমি হারের দায় নিজের কাঁধে নেব। ব্যাট করার সময় গতি আরও বাড়ানো উচিত ছিল। আজকে আমি সুবিধা করতে পারিনি। নামার পর থেকে প্রত্যেক বলে মারতে পারলে ভাল হত। কিন্তু পারিনি। ওরা ভাল বল করেছে। অধিনায়কের সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু সেটা এদিন হয়নি (Shai Hope)।’

তবে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বুমরা। বলা যায় তাঁর জন্যই ২০০-র গন্ডি পার করতে পারেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটাররা। তারপরেও পাওয়ার প্লে-কে কাজে লাগাতে না পারার দায় তাড়া করে বেড়াচ্ছে হোপকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শুরুতেই পরপর উইকেট হারিয়ে বেকায়দায় পড়তে হয়েছিল তাদের আর সেই জন্যই এই দিন কিছুটা সংযত ভাবে শুরু করেন তাঁরা।
আরও পড়ুন: Iran Israel Conflict: যুদ্ধের আঁচে কাঁপছে অর্থনীতি, বাড়ছে পেট্রোল-ডিজেলের দাম?
ইডেনের পিচ এবং আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে টস যেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই দিন ভারতের কাছে ম্যাচ হারের পর টস ভাগ্যকেও দায়ী করলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক। তিনি দাবি করেন ইডেনের মতো মাঠে টসে যেটা যেকোন টিমের জন্য এডভ্যান্টেজ। কারণ এই পিচে রান চেজ করে জেতার নজির একাধিক। দশ বছর আগে এই মাঠেই বিশ্বকাপ যেতেন ড্যারেন স্যামিরা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন কার্লোস ব্রেথওয়েট। কিন্তু এবার খালি হাতেই ক্যারিবিয়ানদের ক্রিকেটের নন্দন কানন থেকে হতাশ হয়েই ফিরতে হলো। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড আর যার আগে অভিষেক শর্মার ব্যর্থতা ভারতের জন্য যথেষ্ট চিন্তার কারণ (Shai Hope)।


