Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শারীরিক নির্যাতন ও যৌন হেনস্তার মামলায় (Shamik Adhikary) গ্রেফতার হওয়া ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারীকে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শুক্রবার আদালতের সেই নির্দেশের প্রাক্কালেই তদন্তে সহযোগিতা করতে গোপন জবানবন্দি দিতে সম্মতি জানান নির্যাতিতা। তার আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে সেই ভয়াবহ রাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে গিয়ে আবেগে ভেঙে পড়েন তিনি।
চাঞ্চল্যকর অভিযোগ (Shamik Adhikary)
নির্যাতিতার বয়ানে উঠে এসেছে একের পর এক (Shamik Adhikary) চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। তাঁর দাবি, বন্ধুত্বের সম্পর্কের সূত্রে শমীকের নতুন ফ্ল্যাটে যাওয়াই কাল হয়ে দাঁড়ায়। পরিবারের উপস্থিতিতেই শুরু হয় মানসিক চাপ ও শারীরিক হেনস্থা। মোবাইল কেড়ে নিয়ে ব্যক্তিগত কথোপকথন ঘাঁটাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বচসা, যা দ্রুত হিংস্র রূপ নেয়। অভিযোগ, ওই রাতেই তাঁকে আটকে রেখে মারধর করা হয়, দেওয়া হয় প্রাণনাশের হুমকি। গুরুতর আঘাতে তাঁর চোখ ফুলে যায়, শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন তৈরি হয়।

ভয়াবহ পরিস্থিতি (Shamik Adhikary)
নির্যাতিতা আরও জানান, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে বারবার সাহায্যের জন্য আবেদন করলেও তিনি কার্যত একা হয়ে পড়েন। শারীরিক আঘাত ও মানসিক আতঙ্কে একসময় তিনি জ্ঞান হারান। পরবর্তী ঘটনাগুলি তাঁর কাছে অস্পষ্ট। তবে ঘটনার পর সামনে আসেন আরও অনেকে। নির্যাতিতার দাবি, শমীকের প্রাক্তন পরিচিত ও বন্ধুদের একাংশ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তাঁরাও একই ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং তাঁদের কাছে প্রমাণও রয়েছে।

আরও পড়ুন: Oil Import: ইরানের তেল আমদানিতে কড়া নিষেধাজ্ঞা আমেরিকার, ভারতের ওপরেও পড়বে কোপ!
অন্যদিকে, অভিযুক্তের আইনজীবীর দাবি, দু’জনের মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল এবং কোনও সম্পর্ক থাকলেও তা সম্মতির ভিত্তিতেই। তবে আইনজীবীর বক্তব্য, নির্যাতিতাকে বাড়িতে আটকে রেখে ধারাবাহিকভাবে অত্যাচার চালানো হয়েছে এবং মেডিক্যাল রিপোর্টে তার স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জামিনের আবেদন খারিজ করে পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এই মামলায় আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।


