Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (SIR) সম্পন্ন করার কড়া নির্দেশ দিয়েও শেষ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়াল নির্বাচন কমিশন। সোমবার জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর ফর্ম জমা দেওয়ার সময়সীমা ৪ ডিসেম্বর থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ১১ ডিসেম্বর। একইসঙ্গে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের নির্ধারিত ৯ ডিসেম্বরের পরিবর্তে নতুন তারিখ রাখা হয়েছে ১৬ ডিসেম্বর।
নির্বাচন কমিশনের নতুন নির্দেশ(SIR)
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন ১৬ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে। সবশেষে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের তারিখও বদলে ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে করা হয়েছে ১৪ ফেব্রুয়ারি। পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের মোট ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ক্ষেত্রে এই এসআইআর(SIR) নতুন সময়সীমা প্রযোজ্য হবে।
কাজের গতিতে এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গ(SIR)
কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকার ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে ৯৫.২৪ শতাংশ, যা সংখ্যায় প্রায় ৭ কোটি ২৯ লক্ষ ৯৩ হাজার ১৮৫ জন। অর্থাৎ কাজের গতির দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গ অনেকটাই এগিয়ে। ফলে এখানে বিএলও-দের বিক্ষোভ, রাজনৈতিক চাপ বা স্থানীয় কোনও পরিস্থিতির কারণে সময়সীমা বাড়ানো হয়নি, এমনই মত নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের একাংশের। তাঁদের মতে, উত্তরপ্রদেশসহ আরও কিছু রাজ্যে কাজের গতি প্রত্যাশার তুলনায় কম হওয়াতেই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত।
পরিসংখ্যান বলছে, উত্তরপ্রদেশে এই মুহূর্তে ডিজিটাইজেশনের কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৬৯.৫৬ শতাংশ। অন্য রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে এই হার ৮০ শতাংশেরও বেশি। তাই ১২ রাজ্য জুড়ে সমন্বিতভাবে সময়সীমা সংশোধন করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: Voters Missing: খোঁজ নেই ৫৫ জন ভোটারের, নোটিস জারি বিএলও-র
স্বচ্ছতা-নির্ভুলতার লক্ষ্যেই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত
তবে কমিশনের ব্যাখ্যা, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে মৃত, স্থানান্তরিত, ডুপ্লিকেট ভোটার বা ইনিউমারেশন ফর্ম বিলির সময় অনুপস্থিত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া অত্যন্ত সংবেদনশীল। বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) এবং বুথ লেভেল এজেন্টদের (বিএলএ) সঙ্গে সমন্বয় করে সঠিক তথ্য যাচাইয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় নিশ্চিত করতেই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাতে পরবর্তী সময়ে কোনও পক্ষের পক্ষেই অভিযোগের সুযোগ না থাকে। নতুন সময়সীমা ঘোষণা হওয়ায় এখন ভোটার পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হবে বলেই মনে করছে কমিশন। একইসঙ্গে রাজনৈতিক মহলও নজর রাখছে—নতুন সংশোধিত সূচি আগামী নির্বাচনী প্রস্তুতিতে কী প্রভাব ফেলে।
আরও পড়ুন: Prosthesis: বিবাহের সুবর্ণজয়ন্তী: শতাধিক মানুষকে কৃত্রিম অঙ্গ দান করলেন দম্পতি


