Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শীতকালীন অলিম্পিক্সকে ঘিরে এবার বিতর্কের কেন্দ্রে (Ski Jumping Doping Scandal) এক অস্বস্তিকর ও ব্যতিক্রমী অভিযোগ। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে, কিছু পুরুষ স্কি জাম্পার কি নিয়মের ফাঁক গলে কৃত্রিমভাবে শারীরিক মাপ বদলে প্রতিযোগিতায় বাড়তি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন? বিষয়টি এতটাই গুরুতর যে একে নতুন ধরনের ‘ডোপিং’-এর সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।
পোশাকের ফিটিং (Ski Jumping Doping Scandal)
স্কি জাম্পিং এমন একটি খেলা, যেখানে পোশাকের ফিটিং (Ski Jumping Doping Scandal) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাথলিটদের শরীরের সঙ্গে মাপসই স্যুট পরা বাধ্যতামূলক, কারণ সামান্য ঢিলা স্যুটও বাতাসে অতিরিক্ত লিফট তৈরি করে জাম্পের দূরত্ব বাড়াতে পারে। মরশুম শুরুর আগে খেলোয়াড়দের বাধ্যতামূলক থ্রিডি বডি স্ক্যানের মাধ্যমে এই মাপ নির্ধারণ করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, সেই স্ক্যানের ঠিক আগে কিছু খেলোয়াড় নাকি হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ইনজেকশন ব্যবহার করে সাময়িকভাবে শরীরের নির্দিষ্ট অংশের মাপ বাড়াচ্ছেন।

তুলনামূলক ঢিলা স্যুট ব্যবহার (Ski Jumping Doping Scandal)
রিপোর্ট অনুযায়ী, এই পদ্ধতিতে শরীরের টিস্যুতে জল ধরে রাখা হয়, ফলে স্ক্যানের সময় প্রকৃত মাপের চেয়ে কিছুটা বেশি রেকর্ড হতে পারে। এর ফলে গোটা মরশুমে তুলনামূলক ঢিলা স্যুট ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়, যা অ্যারোডাইনামিক সুবিধা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্যুটের মাপে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার পার্থক্যও জাম্পের দূরত্বে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন: Rose Aroma Therapy: গোলাপের গন্ধেই ভালো হবে মন, স্ট্রেস কমাবে ভালোবাসার ফুল
যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট অ্যাথলিটের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের হয়নি, তবু বিশ্ব অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থা ওয়াডা গোটা বিষয়টির উপর নজর রাখছে। সংস্থার বক্তব্য, যদি প্রমাণ মেলে যে কোনও পদ্ধতি খেলায় অন্যায্য সুবিধা দিচ্ছে বা ‘স্পিরিট অফ স্পোর্টস’-এর পরিপন্থী, তবে তা নিষিদ্ধের আওতায় আনা হতে পারে।


