Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চুল পড়া বা টাকের সমস্যাকে (Smoke and Hair Loss) অনেকেই শুধুমাত্র বংশগত বলে মনে করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে, ধূমপানের সঙ্গেও এই সমস্যার ঘনিষ্ঠ যোগ থাকতে পারে। ইংল্যান্ডের একদল বিজ্ঞানীর দাবি, যারা নিয়মিত ও অতিরিক্ত সিগারেট খান, তাদের ক্ষেত্রে চুল ঝরে পড়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।
কেন হয় এমন? (Smoke and Hair Loss)
গবেষকদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, চুলের গোড়ায় পর্যাপ্ত পুষ্টি ও (Smoke and Hair Loss) অক্সিজেন পৌঁছতে সূক্ষ্ম রক্তনালির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নিকোটিন এই রক্তনালিগুলিকে সঙ্কুচিত করে দেয়, ফলে রক্ত সঞ্চালন বাধাপ্রাপ্ত হয়। এর ফলেই চুলের ফলিকল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং চুল ঝরার হার বাড়ে।
বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান
এছাড়াও তামাকের ধোঁয়ায় থাকা বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান চুলের কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এতে মাথার ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি হয় এবং চুলের গোড়া ধীরে ধীরে নষ্ট হতে থাকে। বিশেষ করে অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেসিয়া নামে পরিচিত টাক পড়ার সমস্যায় ধূমপানের প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে। এই অবস্থায় অ্যান্ড্রোজেন ও ডাইহাইড্রোটেস্টোস্টেরন হরমোনের তারতম্য চুল পড়া ত্বরান্বিত করে। নিকোটিন রক্তে মিশে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

চলছে গবেষণা
তাইওয়ান ও তুরস্কেও এ বিষয়ে গবেষণা চলছে। প্রাথমিক তথ্য বলছে, যাদের পরিবারে টাকের ইতিহাস রয়েছে এবং যারা দিনে ২০টির বেশি সিগারেট খান, তাদের টাক পড়ার ঝুঁকি অধূমপায়ীদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। শুধু চুল পড়া নয়, অকালপক্বতার ক্ষেত্রেও ধূমপান দায়ী হতে পারে। নিকোটিন চুলের রং ধরে রাখা মেলানিন রঞ্জককে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে দ্রুত চুল পেকে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

আরও পড়ুন: Vaibhav Sooryavanshi: বোর্ডস নয় আইপিএলই টার্গেট, বৈভবের জোরালো শটে ফাটল জলের পাইপ!
বিশেষজ্ঞদের মতে, ধূমপান বন্ধ করলেই হারানো চুল ফিরে আসবে এমন নিশ্চয়তা নেই। তবে সময়মতো সতর্ক হয়ে ধূমপানের অভ্যাস কমালে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হতে পারে।


