Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের রাজ্যে সক্রিয় ইডি। কলকাতার প্রায় ৬ টি জায়গায় একযোগে অভিযান শুরু করে তারা। তালিকায় দক্ষিণ কলকাতার কসবা এলাকার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বাড়িও। গোলপার্ক-এর কাঁকুলিয়া রোডের বাড়িতে হানা দেয় ইডি(Sona Pappu)। বালিগঞ্জ, তপসিয়া এলাকায় বিভিন্ন নির্মাণকারী সংস্থার থেকে তোলাবাজির অভিযোগে তদন্ত। বালিগঞ্জের এক সংস্থার অফিসেও হানা দেয় তারা।
সোনা পাপ্পুর নামে FIR (Sona Pappu)
ইডি সূত্রে খবর, সোনা পাপ্পুর নামে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। তোলাবাজি, হুমকি-সহ কয়েকটি ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পাঁচটি এফআইআর-কে সামনে রেখে কয়েক দিন ধরে অনুসন্ধান ইডির। কোটি কোটি টাকা আর্থিক দুর্নীতি। বেআইনি ভাবে জমি দখল। বেআইনি ভাবে নির্মাণ। বেআইনি ভাবে বিক্রি। জমি ব্যবসার নামে তোলাবাজি। এরকম একাধিক অভিযোগ এ ED-এর এফআইআরে।
সোনা পাপ্পুর নামে ১৫ মামলা
১৫ টি মামলা আছে সোনা পাপ্পুর নামে। অভিযোগ, এলাকায় প্রায় সমস্ত নির্মাণ থেকে ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি করত সে। একাধিক প্রভাবশালীর থেকে প্রোটেকশন মানি আদায় করত পাপ্পু। তার মাথায় কাদের হাত? তোলাবাজির কোটি কোটি টাকা কার কাছে যেত? পুলিস কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিত না? সোনা পাপ্পু র সমস্ত নির্মাণ প্রজেক্ট এবং সেই সম্পর্কিত কনস্ট্রাকশন অফিসে তল্লাশি চলে আজ। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল তথ্য।
ইডির নজরে রাহুল দাস
আরও জানা গিয়েছে, ইডির নজরে সোনা পাপ্পুর ডান হাত রাহুল দাস। পাপ্পুর হয়ে অনেকক্ষেত্রেই টাকা তোলার কাজ করত রাহুল। রাহুল দাসের প্রতিবেশী আবাসিক ও রাহুল দাসের বাড়ি যেই জমিতে তার মালিক রাহুল দাসের এলাকায় অত্যাচারের শিকার তিনিও বলে অভিযোগ।
কীভাবে তোলাবাজি ও বেআইনি নির্মাণ? (Sona Pappu)
কীভাবে তোলাবাজি ও বেআইনি নির্মাণ করত, এত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ কেন কোনও ব্যবস্থা নিল না এটাই সব থেকে বড় প্রশ্ন এখন। আর্থিক তছরুপের মামলায় বালিগঞ্জের ‘সান এন্টারপ্রাইস’ নামে এক সংস্থার অফিসেও অভিযান চালান ইডি আধিকারিকেরা। তবে এই সংস্থার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
দেবাশিস কুমারকে তলব (Sona Pappu)
সূত্রের খবর, রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী দেবাশিস কুমারের ঘনিষ্ঠ পাপ্পু। ঘটনাচক্রে দেবাশিস কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার ডেকেছিল ইডি। তার ২ দিন পরেই সোনা পাপ্পুর বাড়িতে এই অভিযান। কিছু দিন আগে রবীন্দ্র সরোবরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সোনা পাপ্পুর নাম জড়ায়। কিন্তু এখনও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি।



