Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২৮ মার্চ আইপিএল-এর প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে বেঙ্গালুরু এবং হায়দরাবাদ (IPL)।
চিন্তা বাড়ল কোহলিদের (IPL)
একদিনে কিছুই হয় না কিন্তু একদিন ঠিক হয়। বিরাটদের জন্য বোধহয় এই কথাটাই প্রযোজ্য। দীঘদিন আইপিএল খেললেও ট্রফি ছিল অধরা। একের পর এক মরশুম গিয়েছে আর সমর্থকদের অপেক্ষা করতে হয়েছে পরের মরশুমের জন্য কিন্তু অবশেষে ২০২৫-এ আসে সেই মুহূর্ত। বিরাট ভক্তদের সেদিন খুশির দিন, দীর্ঘদিনের অবসান ঘটিয়ে আইপিএল-এর ট্রফি উঠেছে কোহলির হাতে। এবার সেই ট্রফি ধরে রাখার কঠিন চ্যালেঞ্জ। তবে এর থেকেও বেশি চ্যালেঞ্জ চোটগ্রস্ত দলের ভারসাম্য রক্ষা। এবার আইপিএল-এ সব দলের কাছেই মাথা ব্যথার অন্যতম কারণ হলো চোটের কবলে খেলতে না পারা একাধিক বোলার (IPL)।
আইপিএল-এর আগেই এবার বড় ধাক্কা খেল বেঙ্গালুরু শিবির। পেসার নুয়ান থুসারাকে আইপিএল-এ খেলার জন্য এখনও ছাড়পত্র দেয়নি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। রিপোর্টে প্রকাশ খবর অনুযায়ী পুরো ফিটনেস না থাকলে ক্রিকেটারদের বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লিগে খেলার অনুমতি দেবে না শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড।

জানা গিয়েছে থুসারার এই মুহূর্তে কোনও চোট না থাকলেও তাঁর ফিটনেস নেই সম্পূর্ণভাবে। আর সেই কারণেই আইপিএল-এ খেলা তাঁর জন্য এখন অনিশ্চিত। আর এর কারণেই সমস্যায় পড়তে হয়েছে আরসিবি-কে। কারণ শনিবার উদ্বোধনী ম্যাচে নামবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা হায়দরাবাদের বিপক্ষে (IPL)।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড আগের সপথেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে পুরোপুরি ফিট না থাকলে আইপিএল-এ অংশ নিতে পারবেন না তাদের ক্রিকেটাররা। যার মধ্যে রয়েছেন দুষ্মন্ত চামিরা, পাথুম নিশঙ্ক, কামিন্দু মেন্ডিসদের মতো প্লেয়াররা। তবে সেক্ষত্রে প্রশ্ন উঠছে যে যদি এরা প্রথম পর্বে অংশ না নিতে পারে এবং পরের দিকে যদি দলের অবস্থা খারাপ হয় তখন তাঁদের দলে যোগ দিয়ে লাভ কী হবে? সেক্ষত্রে আগের থেকে কি দলগুলির কাছে কোনও খবর বা তথ্য ছিল না? এর ফলে দলের কম্বিনেশনে প্রভাব পড়বে।
সূত্রের খবর, থুসারা ফিটনেস পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি। যদিও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের এই সিদ্ধান্তে প্রাক্তন ক্রিকেটার চামিন্ডা ব্যাস কিন্তু খুশি নন। তাঁর কথায়, ‘ক্রিকেটে ফিটনেস অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে এই ফিটনেসকে উপেক্ষা করে আচমকা আইপিএল-এর আগে এই কড়া সিদ্ধান্ত কেন। এটা পরিকল্পনার অভাব ছাড়া আর কিছুই নয়।’ তবে আরসিবির জন্য স্বস্তির খবর, জস হ্যাজলেউড শিবিরে যোগ দিয়েছেন। যদিও শুরুর দিকে হ্যাজলেউডকে পাওয়া যাবে না (IPL)। কিন্তু সেক্ষত্রে বাইরের বোর্ডের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে যে তাঁরা এই বিষয়গুলি নিয়ে আগে কি গুরুত্ব দেয়নি? আর দিলে হঠাৎ করে আইপিএল-এর আগে কেন এই সিদ্ধান্ত?

আরও পড়ুন: Weather Update: বঙ্গজুড়ে কালবৈশাখীর সতর্কতা! জেলায় জেলায় বৃষ্টি!
হেড টু হেডে কে এগিয়ে, বেঙ্গালুরু নাকি হায়দরাবাদ?
এখনও পর্যন্ত আইপিএল-এর মতো এই মেগা টুর্নামেন্টে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে মোট ২৬ বার। যার মধ্যে ১৩ বার ম্যাচ জিতেছে হায়দরাবাদ এবং ১১ বার ম্যাচ জিতেছে বেঙ্গালুরু। এখন থেকে স্পষ্ট যে দুই দল যতবার মুখোমুখি হয়েছে টক্কর হয়েছে সমানে-সমানে। দলের সর্বোচ্চ রানের দিক থেকেও কিছুটা এগিয়ে SRH, এক ইনিংসে তাদের সর্বোচ্চ রান ২৮৭, সেখানে বিরাটদের রান ২৬২।
বিরাটদের টস ভাগ্য যদিও বেশিরভাগ সময় সঙ্গ দিয়েছে কোহলিদের। দুই দলের মধ্যে টস জেতার নিরিখে এগিয়ে রয়েছে বেঙ্গালুরু, বিরাটরা টস জিতেছে মোট ১৪ বার। টস এবং ম্যাচ জেতার সংখ্যায় দুই দলই সমান। দুই দলই ৫ বার করে টস এবং ম্যাচ জিতেছে। সুতরাং প্রথম ম্যাচেই যে উত্তেজনার ছবি সমর্থকরা দেখতে পাবেন সেটা স্পষ্ট (IPL)।

শেষ কয়েকটি সিরিজে এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে বিরাট কোহলি যে ফর্মে রয়েছেন তাতে যেকোন বিপক্ষের ভিত নড়ে যাবে। দক্ষিণ আফ্রিকা হোক বা নিউ জিল্যান্ড একাই ব্যাট হাতে শাসন করেছেন ২২ গজ। রান তাড়া করতে নেমে যে বিরাট একপ্রকার অপ্রিতরোধ্য সেটা এখন ক্রিকেট বিশ্বে প্রমাণিত সত্য। তেমন অন্যদিকে হায়দরাবাদের হয়ে দলকে নেতৃত্ব দেবেন ঈশান কিষাণ, প্যাট কামিন্সের অনুপস্থিতিতে। তাঁর ডেপুটি হিসেবে দলে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঈশান কিষাণকে পাওয়া গিয়েছিল দুরন্ত ছন্দে। আবার অভিষেক শর্মাও বিশ্বকাপ ফাইনালে রান পেয়েছেন। দুই বিধ্বংসী ব্যাটার যেকোন সময় যে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারেন তারা সাক্ষী থেকেছেন সমর্থকরা (IPL)।


