Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ওমানের বিরুদ্ধে ১৯ বছর পর আবার ঐতিহাসিক কীর্তি শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka)।
রেকর্ড জয় শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka)
ওমানের ল্যান্ডস্কেপ সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। সেই মন মাতানো দৃশ্য দেখার জন্য টুরিস্টদের ভিড় লেগেই থাকে। সেই দৃশ্য সুন্দর হলেও আজ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে মোটেও ছবিটা সুন্দর ছিল না। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছন্দে থাকা শ্রীলঙ্কার কাছে ১০৫ রানের বড় ব্যবধানে হারতে হয় ওমানকে। রানের হিসেবে এই বারের টুর্নামেন্টে এটিই এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় জয়। এই জয়ের ফলে গ্রুপে নিজেদের অবস্থান শ্রীলঙ্কা আরও মজবুত করল (Sri Lanka)।
টস জিতে ওমান শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠায় ওমান। শুরুটা ভাল না হলেও ম্যাচের ছবি পাল্টাতে থাকে। কামিল মিশারা মাত্র ৮ রান করে আউট হন, পাথুম নিশঙ্কাও ১৩ রানের বেশি করতে পারেননি। কিন্তু এরপর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চাপে ফেলে দেয় ওমানের বোলারদের। কুশল মেন্ডিস ৭টি চারের হাত ধরে ৪৫ বলে ৬১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন।

পবন রত্নায়েকে মাত্র ২৮ বলে ৬০ রান করেন, যার মধ্যে ছিল একটি ছয় এবং আটটি চার। ম্যাচের সেরাও হন তিনি। শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকাও ২০ বলে ৫০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। ২৫০ স্ট্রাইক রেটে তিনি মাত্র ১৯ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন এবং এর সঙ্গে ১৯ বছরের পুরনো একটি রেকর্ড ভেঙে দেন। দলের স্কোর দাঁড়ায় ২০ ওভারে ২২৫ (Sri Lanka)।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে শ্রীলঙ্কার হয়ে দ্রুততম অর্ধশতরানের রেকর্ডটি ছিল মাহেলা জয়বর্ধনের নামে। ১৯ বছর আগে তিনি ২১ বলে অর্ধশতরান করেন। সেই ম্যাচে কেনিয়ার বিরুদ্ধে ঝড় তোলেন তিনি। ওমানের বিরুদ্ধে ১৯ বলে অর্ধশতরান করে দাসুন শনাকা ১৯ বছর আগের মাহেলা জয়বর্ধনের গড়া রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন।
২২৬ রান তাড়া করতে নেমে ওমান শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায়। প্রথম ছয় ওভারের মধ্যেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে পিছিয়ে পড়ে ওমান। অধিনায়ক জতিন্দর সিং মাত্র ১ রান করেন, হামাদ মির্জা ৯ ও বিনায়ক শুক্লা ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। একমাত্র মহম্মদ নাদিম কিছুটা লড়াই করে ৫৬ বলে ৫৩ রান করেন কিন্তু আর কেউ তেমন দাঁড়াতেই পারেননি। শেষ পর্যন্ত ওমানের ইনিংস থামে ১২০ রানে (Sri Lanka)।

আরও পড়ুন: Basirhat Bhaybla: এক ধাক্কায় স্তব্ধ শিয়ালদহ–হাসনাবাদ লাইন
বল হাতে দুষ্মন্ত চামিরা ও মহেশ থিকশানা ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। দুনিথ ভেলালাগে, দুশান হেমন্তা ও কামিন্দু মেন্ডিসও উইকেট তুলে নেন। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ায় ওমান আর ম্যাচে ফিরতেই পারেননি।

এই জয়ের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে শ্রীলঙ্কার কাছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় বার ১০০ রানের বেশি ব্যবধানে জয়। এর আগে ২০০৭ সালে কেনিয়াকে ১৭২ রানে হারিয়েছিল তারা। প্রায় ১৯ বছর পর আবারও বিশ্বমঞ্চে এমন বড় ব্যবধানে জিতল শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার এই জয় শুধু রানেই বড় নয়, আত্মবিশ্বাসের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ (Sri Lanka)।


