Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: পরিকল্পনা অনুযায়ী, আর কয়েকদিন (Sudeshna Roy) বাদেই শুরু হবে নতুন ছবির শুটিং। কিন্তু পরিচালক গিয়ে দেখলেন, কেউ নেই। শুটিং স্পট একদম ফাঁকা। এবার কী করবেন পরিচালক সুদেষ্ণা রায়? সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমত ক্ষোভে ফেটে পড়লেন তিনি। তাঁর পাশে নেই প্রোডাকশন ম্যানেজার থেকে শুরু করে আর্ট ডিরেক্টর। কেনই বা সুদেষ্ণা রায়ের পাশ থেকে সরে গেলেন, তার কারণ অজানা। আবারও কি তাহলে টলিউডের অন্দরে স্পষ্ট ফেডারেশন ভার্সেস পরিচালকদের দ্বন্দ্ব? এই সমস্যা মিটবে কবে?
ফাঁকা শুটিং স্পট (Sudeshna Roy)
১৮ই এপ্রিল থেকে শুটিং শুরু হওয়ার (Sudeshna Roy) কথা। ১৬ এপ্রিল অর্থাৎ ঠিক তার দু’দিন আগে পরিচালক সুদেষ্ণা উত্তর কলকাতার শুটিং স্পটে গিয়ে দেখেন কেউ নেই। লাইভে এসে তাঁর অভিযোগের কথা বলেন। জানান, “শুটিংয়ের ডেট ১৮ তারিখ থেকে, আমার নতুন ছবি ‘স্বপ্ন হলেও সত্যি’। উত্তর কলকাতার যে বাড়িতে আমরা শুটিংটা করব, সেখানে এসেছি। দেখলাম কেউ নেই। তার কারণ গত একমাস ধরে আমি যাদের সঙ্গে কাজ করেছি, যারা আমার টিম, তাদের মধ্যে অনেকেই আছে প্রায় দুই দশক ধরে আমার সঙ্গে কাজ করছে তারা আসেনি। আমার প্রোডাকশন ম্যানেজার কোনও বিশেষ কারণ না জানিয়ে ছয় দিন আগে এই প্রজেক্ট থেকে চলে যান। তার সঙ্গে আমরা বহুদিন কাজ করেছি। তিনি আমার বন্ধু, তিনি আমার পাশে দাঁড়ান। কি কারণে এখান থেকে চলে গিয়েছে সেটা আমি জানি না। একই সাথে আর্ট ডিরেক্টর বলে, সে আমাদের সাথে কাজ করতে পারবে না।”
সুদেষ্ণা রায়ের কাজে বাধা (Sudeshna Roy)
প্রোডাকশন ম্যানেজার যে গিল্ডের সদস্য সেই গিল্ড এবং ফেডারেশনকে পুরো বিষয়টা বিস্তারিত (Sudeshna Roy) জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু কোনও সদুত্তর মেলেনি। লাইভে সুদেষ্ণা রায় বলেন, “আমি কাজে বাধা প্রাপ্ত হচ্ছি। মহামান্য আদালত কিন্তু আদেশ দিয়েছেন, আমাদের কারোর কাজে যেন কোনও বাধা সৃষ্টি না হয়। বিনা কারণে …. প্রথমে ছেড়েছেন প্রোডাকশন ম্যানেজার। তারপর আর্ট ডিরেক্টর। তারপর একে একে সবাই বলে, দিদি কাজ করতে পারব না। কেন পারবে না সেটা কিন্তু খোলসা করে কেউ বলছে না।”
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন
শুটিং বন্ধ মানে, কাজে ক্ষতি। পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ” আমি শুধু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি তাই নয়, আমার প্রযোজক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমি মানসিক ভাবে আঘাত পেয়েছি। আমার কাজটা পুরো শেষ হয়ে গেছে। হ্যাঁ,আমি কিছু কিছু বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। শেষ মুহূর্তে এই ভাবে এতজনের কাজ ব্যাহত হল, প্রযোজকের টাকা নষ্ট হল। তাছাড়া এটা একটা প্রজেক্ট নষ্ট হচ্ছে, সত্যি খুবই মর্মাহত।”
আরও পড়ুন: Pohela Boishakh: পয়লা বৈশাখ নাকি নিউ ইয়ার? টলি তারকারা কাকে ভোট দিলেন?
“আমার কাছে খুব আঘাতের জায়গা”
ট্রাইব টিভির তরফ থেকে সুদেষ্ণা রায়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ” এই ঘটনায় আমি হতাশ। আমি হয়ত প্রতিবাদ করেছি বলেই এমনটা হয়েছে। অসহযোগিতাও কিন্তু একটা বাধা। এই অসহযোগিতার নেপথ্যের কারণ জানা নেই। কেউ খোলসা করে কিছু বলছে না। যারা আমার সাথে কুড়ি বছর ধরে কাজ করছে, তারা উইথড্র করছে। এটা আমার কাছে খুব আঘাতের জায়গা। কারণ তাদের আমি ভাইয়ের মতো মনে করি।”


