Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: একে ম্যানগ্রোভ অরণ্য রক্ষা করে ভূমিক্ষয় অন্যদিকে গোটা সুন্দরবন রাজ্যকে বাঁচায় ঝড়ের হাত থেকে। বুলবুল, আমফান, ফণী, ইয়াস, দানা -একের পর এক ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত সুন্দরবন৷ রাজ্যের ত্রাণকর্তা সেই সুন্দরবনকে বাঁচাতে এবার তৎপর রাজ্য সরকার(Sundarban) ৷ সুন্দরবন বাঁচাতে বড়সড় পরিকল্পনা রাজ্য সরকারে্র। সুন্দরবনের ৫৪ দ্বীপের মধ্যে ৩৯ দ্বীপ সুন্দরবনের (Sundarban) সংকটজনক হয়ে উঠেছে। একের পর এক ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিপন্ন এই সব দ্বীপের অবস্থা। কমছে মিষ্টি পানীয় জল, অসুবিধায় কৃষিকাজ ও মাছ চাষ। ফলে নিত্য সমস্যায় পড়ছেন এলাকার মানুষজন।
মাস্টারপ্ল্যানের রপায়ণে সেচ-বৈঠক (Sundarban)
ঘূর্ণিঝড়ের লাগাতার প্রভাবে বদলে যাচ্ছে সুন্দরবনের বিভিন্ন নদীর গতিপথ। দ্বীপের একদিকে ভাঙছে নদী বাঁধ। লেগেই রয়েছে বিপত্তি। বর্ষা কিংবা ঘূর্ণিঝড় এলাকার মানুষের বছরের বেশিরভাগ সময়ই আশ্রয় ত্রাণশিবির। কপালে চিন্তার ভাঁজ সরে না এলাকার প্রশাসনিক কর্তাদের। সুন্দরবন রক্ষায় তাই মাস্টারপ্ল্যান বানাতে বৃহস্পতিবার বিশেষ বৈঠক করে রাজ্যের সেচ দফতর। রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়ার নেতৃত্বে মোট ১২ টি দফতর এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিল। ছিলেন বিশ্ব ব্যাংকের কর্তারাও।
প্রকল্পের ৭০ শতাংশ দেবে বিশ্বব্যাঙ্ক (Sundarban)
সেচ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে প্রকল্পের ব্যয় ৪১০০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। যার মধ্যে ৭০ শতাংশ টাকা অর্থাৎ ২৮৭০ কোটি টাকা বিশ্ব ব্যাংক ঋণ দিচ্ছে। বাকি ৩০ শতাংশ টাকা অর্থাৎ ১২৩০ কোটি টাকা দিতে হবে। প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পাঁচ বছর সময় লাগবে বলে দফতরের কর্তারা জানাচ্ছেন। মূলত নিম্ন ব-দ্বীপ এলাকায় এই প্রকল্পের কাজ হবে।
কেন্দ্রের কাছে পিপিআর জমা (Sundarban)
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে প্রকল্পের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটির সিদ্ধান্ত শেষ কথা বলে বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী। এই প্রকল্প নিয়ে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের কাছে পিপিআর জমা দিয়েছে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের ছাড়পত্র চায় রাজ্য।
আরও পড়ুন: Ac-Local: শিয়ালদহ-কল্যাণী নতুন এসি লোকাল: এবার থেকে রবিবারেও চলবে AC লোকাল



