Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেখতে দেখতে প্রায় এক মাস ছুঁইছুঁই। অথচ বিশ্বাস করতে আজও কষ্ট হয় ধর্মেন্দ্র আর নেই (Sunny Deol)। বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতার প্রয়াণে শুধু তাঁর পরিবার নয়, শোকস্তব্ধ গোটা সিনেমা জগৎ। সেই শোকের আবহ কাটিয়ে আবারও ক্যামেরার সামনে ফিরলেন সানি দেওল। তবে এই ফেরা আনন্দের নয়, বরং গভীর বিষাদের ছায়ায় মোড়া।

বাবাকে হারিয়ে প্রথম জনসমক্ষে সানি (Sunny Deol)
বাবা ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর ২২ দিন পর প্রথমবার জনসমক্ষে দেখা গেল সানি দেওলকে। উপলক্ষ বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘বর্ডার ২’-এর টিজ়ার মুক্তি অনুষ্ঠান। গোটা টিম উপস্থিত থাকলেও সকলের নজর কেড়েছেন সানি নিজেই। কারণ তাঁর চোখে-মুখে স্পষ্ট ছিল মনখারাপের ছাপ। ঠোঁটে একফোঁটা হাসিও নেই, যেন গভীর শোকের ভার নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনি।
জিপে এন্ট্রি, কিন্তু উচ্ছ্বাসহীন নায়ক (Sunny Deol)
‘বর্ডার ২’-এর টিজ়ার রিলিজ় অনুষ্ঠানে সিনেমার আবহ বজায় রেখে জিপে করেই এন্ট্রি নেন সানি দেওল। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বরুণ ধাওয়ান ও আহান শেট্টি ছবির গুরুত্বপূর্ণ দুই চরিত্র। কিন্তু এই নাটকীয় প্রবেশের মধ্যেও সানির শরীরী ভাষা ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। চোখের কোণে জমে থাকা জল, স্থির অথচ ভারী মুখ সব মিলিয়ে যেন এক নীরব আর্তি।
আবেগে ভেঙে পড়লেন (Sunny Deol)
অনুষ্ঠানের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ‘বর্ডার ২’-এর একটি সংলাপ উচ্চারণ করতে গিয়েই গলা বেঁধে আসে সানির। কথা আটকে যায়, চোখ ভরে ওঠে জলে। মুহূর্তের মধ্যেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। দর্শকরাও বুঝে যান এ শুধু সিনেমার প্রচার নয়, এটা একজন ছেলের বাবাকে হারানোর যন্ত্রণা নিয়েই সামনে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই।
বাবা-ছেলের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক (Sunny Deol)
সানি দেওল ও ধর্মেন্দ্র এই বাবা-ছেলের সম্পর্ক ছিল একেবারেই বন্ধুত্বপূর্ণ। ব্যস্ত শুটিংয়ের মাঝেও বাবার জন্য সময় বের করতেন সানি। ‘বর্ডার ২’-এর শুটিং চলাকালীন ধর্মেন্দ্রর অসুস্থতা তাঁকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছিল বহুবার। শিডিউলের ফাঁকে ফাঁকে বাবার পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: Aroop Biswas Resigns: যুবভারতী কেলেঙ্কারি বিতর্ক, ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা অরূপের!
স্মৃতির পাতায় আবেগঘন মুহূর্ত
কিছুদিন আগেই ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে একটি সুন্দর ভিডিও শেয়ার করেছিলেন সানি দেওল। সেই ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল
‘শুটিংয়ে তোমাকে খুব মিস করছি। আমাদের কি এ ভাবে আরও মুহূর্ত তৈরি করা উচিত?’ আজ সেই কথাগুলো যেন আরও বেশি করে হৃদয় ছুঁয়ে যায়। সময় যে সত্যিই বড় নিষ্ঠুর!



