Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ঠান্ডা শীতের আগমন (Sweater Tips), বিশেষ করে কলকাতা ও শহরতলির মতো শহরগুলিতে, সোয়েটারকে আমাদের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত করেছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শীতের কামড় থেকে রক্ষা পেতে সোয়েটার পরা প্রায় সকলের অভ্যাস। তবে প্রশ্ন উঠছে, একই সোয়েটার কতদিন পর্যন্ত নিরাপদভাবে পরা যায় এবং কত ঘন ঘন ধোয়া উচিত? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতকালেও সঠিক পরিচর্যা না করলে স্বাস্থ্য ও পোশাকের উভয়ই ক্ষতি হতে পারে।
ঘন ঘন ধোয়ার প্রয়োজন হয় না (Sweater Tips)
দিল্লি মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি (Sweater Tips) এবং সিনিয়র চিকিৎসকের মতে, যদি সোয়েটার সরাসরি ত্বকের সঙ্গে না লাগে এবং এর নিচে একটি টি-শার্ট বা অন্তর্বাস পরা থাকে, তবে একটিকে ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত পরা যায়। উলের কাপড় থেকে তৈরি সোয়েটার সহজে গন্ধ ধারণ করে না, তাই এগুলো ঘন ঘন ধোয়ার প্রয়োজন হয় না। তবে এক সপ্তাহ পর পর সোয়েটার ধোয়া স্বাস্থ্য ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য জরুরি।

ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে (Sweater Tips)
দীর্ঘ সময় ধরে একই সোয়েটার না ধোয়ার ফলে ত্বকের সমস্যা (Sweater Tips) দেখা দিতে পারে। ঘাম, ধুলো এবং ত্বকের তেল সোয়েটারে জমে ফুসকুড়ি, চুলকানি, অ্যালার্জি এবং ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকের মানুষদের ক্ষেত্রে এটি আরও বিপজ্জনক। এছাড়া নোংরা সোয়েটার শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যাও বাড়াতে পারে। ধুলো ও অ্যালার্জেন পরার সময় শরীরে প্রবেশ করে হাঁচি, নাক দিয়ে জল পড়া বা হাঁপানি বৃদ্ধি করতে পারে।

পোশাকের গুণগত মানেরও ক্ষতি
তবে শুধু স্বাস্থ্য নয়, পোশাকের গুণগত মানেরও ক্ষতি হতে পারে। দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পরিষ্কার না করা সোয়েটারে ঘাম ও ময়লা জমে ফাইবার দুর্বল করে দেয়। এর ফলে সোয়েটারের আকার নষ্ট হয়, ঝুলে পড়ে বা দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে যায়। সঠিক সময়ে ধোয়া হলে এটি দীর্ঘ সময় সতেজ ও নতুনের মতো থাকে।
আরও পড়ুন: Election Commission: কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়ালেই সুষ্ঠ হবে রাজ্যের নির্বাচন?
প্রতিদিন বাইরে যাওয়া, ঘাম হওয়া বা ধোঁয়া ও ধুলোযুক্ত পরিবেশে থাকা ব্যক্তিদের প্রতি ২ থেকে ৩ দিনে সোয়েটার ধোয়া উচিত। অন্যদিকে, যদি কম ব্যবহৃত হয়, তবে ৪ থেকে ৫ দিন পর পর ধোয়া নিরাপদ। তাই শীতকালে সোয়েটার পরা শুধু আরামদায়কই নয়, স্বাস্থ্যকর এবং দীর্ঘস্থায়ী রাখতে সঠিক পরিচর্যা অপরিহার্য।


