Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভালোবাসার সপ্তাহ মানেই প্রতিদিন এক (Teddy Day) একটি আলাদা অনুভূতির ছোঁয়া। গোলাপ, প্রস্তাব, চকোলেট আর আবেগের পর ১০ ফেব্রুয়ারি এসে পৌঁছয় এক নরম, শান্ত আর ভরসাভরা দিন-টেডি ডে। এই দিনটি মূলত ভালোবাসার সেই দিকটিকে তুলে ধরে, যেখানে শব্দের চেয়েও স্পর্শ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রিয় মানুষের হাতে একটি তুলতুলে টেডি তুলে দেওয়া মানে তাঁকে জানানো-“আমি আছি, সবসময়।”
টেডি বিয়ারের ইতিহাস (Teddy Day)
অনেকেই ভাবেন, টেডি বিয়ার (Teddy Day) বুঝি শুধুই একটি কিউট খেলনা। কিন্তু এর পিছনে লুকিয়ে আছে এক ঐতিহাসিক মানবিক গল্প। বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট থিওডর রুজভেল্ট এক শিকার অভিযানে আহত একটি ভালুকছানাকে হত্যা করতে অস্বীকার করেন। তাঁর এই সহানুভূতিশীল সিদ্ধান্ত সে সময় সংবাদমাধ্যমে আলোড়ন তোলে। সেই ঘটনাই অনুপ্রেরণা দেয় এক ব্যবসায়ী দম্পতিকে, যাঁরা প্রথম তুলতুলে খেলনা ভালুক তৈরি করেন এবং রুজভেল্টের ডাকনাম অনুসারে তার নাম রাখেন ‘টেডি বিয়ার’। ধীরে ধীরে সেই খেলনাই স্নেহ, নিরাপত্তা ও কোমলতার প্রতীকে পরিণত হয়।

ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহ (Teddy Day)
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টেডি বিয়ার জায়গা করে নেয় ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহেও। বিশেষ করে টেডি ডে-তে উপহারের রঙের মধ্যেও লুকিয়ে থাকে আলাদা বার্তা। লাল রঙ প্রকাশ করে গভীর প্রেম, গোলাপি জানায় মনের টান, সাদা বোঝায় নতুন সম্পর্কের শুরু আর নীল রঙ ইঙ্গিত দেয় বিশ্বাস ও স্থায়িত্বের।

আরও পড়ুন: Cooch Behar Student Death: কোটায় বহুতল ধসে মৃত্যু, মা বাঁচলেও মৃত্যু ছেলের
মনোবিদদের মতে, টেডি বিয়ার এমন এক উপহার যা মানসিক সান্ত্বনা দেয়। প্রিয় মানুষ দূরে থাকলেও তার উষ্ণতার অনুভূতি জাগিয়ে তোলে এই ছোট্ট খেলনাই। প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগেও তাই ভালোবাসা প্রকাশে টেডি বিয়ারের আবেদন একটুও কমেনি। যত্ন, নিরাপত্তা আর নিঃশব্দ ভালোবাসার বার্তা নিয়েই আবার ফিরে এল টেডি ডে।


