Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
‘কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দ্য কেরালা স্টোরি ২: গোজ বিয়ন্ড’ ছবির মুক্তির উপর ১৫ দিনের অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল কেরালা হাইকোর্ট(The Kerala Story 2)। একই সঙ্গে সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC)-এর ভূমিকা নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছে আদালত। প্রাথমিকভাবে দেখা যাচ্ছে, সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা যথাযথভাবে মানা হয়নি বলে আদালতের পর্যবেক্ষণ।
সেন্সর বোর্ডের সমালোচনা (The Kerala Story 2)
বিচারপতি বেচু কুরিয়ান থমাস অন্তর্বর্তী আদেশে বলেন, সিনেমাটোগ্রাফ আইন অনুযায়ী নির্ধারিত বিধি প্রয়োগে সিবিএফসি ব্যর্থ হয়েছে। আদালতের মতে, ছবির টিজারেও এমন বিষয়বস্তু রয়েছে যা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিষয়টি আরও গভীরভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
আদালতের তীব্র সমালোচনা
আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, যে কোনও ধরনের বিষয়বস্তু যা সামাজিক অশান্তি বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে, তা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আড়ালে সুরক্ষিত হতে পারে না। বিশেষ করে যদি তা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করার ঝুঁকি বহন করে।
সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনার নির্দেশ
এই নির্দেশের পর সিবিএফসিকে ছবিটির সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত জোর দিয়ে বলেছে, সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে নির্মিত কোনও ছবিকে অনুমোদন দেওয়ার আগে বোর্ডকে কঠোরভাবে আইনসিদ্ধ নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে।
আপাতত ১৫ দিন মুক্তি স্থগিত (The Kerala Story 2)
২৭ ফেব্রুয়ারি ছবিটির মুক্তির কথা ছিল। তবে আদালতের এই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের ফলে আপাতত ১৫ দিন মুক্তি স্থগিত থাকবে। এর মধ্যে আইনি প্রশ্নগুলির পর্যালোচনা করা হবে।
আরও পড়ুন: Portugal Village: প্রকৃতি, একটি ডাকবাক্স আর এক মানুষ! জানেন কি তাদের গল্প?
পুনর্বিবেচনার পরই ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে (The Kerala Story 2)
পিটিশনে অভিযোগ করা হয়েছে, ছবিটির বিষয়বস্তু যার মধ্যে জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত আখ্যান রয়েছে রাজ্যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এবং কেরালার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে পারে। আদালত মনে করেছে, সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়ায় প্রাথমিক ত্রুটি থাকতে পারে। এখন পুনর্বিবেচনার পরই ছবিটির ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।



