Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রবিবার ভোরের শান্ত পরিবেশ আচমকাই ভেঙে গেল বর্ধমান জেলার কাটোয়া রেলস্টেশনে (Katwa Station)। প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা কাটোয়া-আজিমগঞ্জ লোকাল ট্রেনের একটি কামরায় হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে, আর সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে যাত্রী ও রেলকর্মীদের আতঙ্ক।

কীভাবে ঘটল এই অগ্নিকাণ্ড? (Katwa Station)
সূত্রে জানা গিয়েছে, ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে ছিল কাটোয়া-আজিমগঞ্জ লোকাল ট্রেন। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল ৬টা ৫ মিনিটে ট্রেনটির কাটোয়া স্টেশন থেকে ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ হঠাৎই একটি কামরায় আগুন দেখতে পান স্টেশনের কর্মীরা ও উপস্থিত যাত্রীরা। সেই সময় স্টেশনে বেশ কিছু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। আগুনের শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকলে আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু হয়। খবর দেওয়া হয় পুলিশ ও দমকল বিভাগকে।
বড় বিপদ এড়াল স্টেশন (Katwa Station)
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ইঞ্জিন। অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা তৎপরতার সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নেভানো সম্ভব হয়। তবে সংশ্লিষ্ট কামরাটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আগুন যাতে অন্য কামরাগুলিতে ছড়িয়ে না পড়ে, তা দমকল কর্মীদের দক্ষতায় রোধ করা সম্ভব হয়েছে। যদি আগুন ছড়িয়ে পড়ত, তবে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারত।

শর্ট সার্কিট? (Katwa Station)
প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত কিছু জানানো হয়নি। রেলের তরফে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। দমকল বিভাগও ঘটনার উৎস খতিয়ে দেখছে। রেল নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রশ্নও সামনে এসেছে। যেহেতু ট্রেনটি ভোরবেলায় ছাড়ার কথা ছিল, তাই ব্যস্ত সময়ে যদি এই আগুন লাগত, তাহলে হতাহতের আশঙ্কা অনেক বেশি থাকত।
যাত্রীদের আতঙ্ক (Katwa Station)
এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেনে আগুন লাগা নিঃসন্দেহে রেল ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। যদিও কোনও প্রাণহানি ঘটেনি, তবুও ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রুখতে আরও কঠোর নজরদারি ও প্রযুক্তিগত পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
আরও পড়ুন: America: মার্কিন পুলিশের গাড়ির ধাক্কা ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যু
তদন্তের পথে রেল
আগুন নেভানোর পর সংশ্লিষ্ট ট্রেনটিকে প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। রেলের প্রযুক্তিগত দল ও নিরাপত্তা আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছেন। বৈদ্যুতিক সংযোগ, তারের অবস্থা, রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়া সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



