Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিরোধী দলের প্রবল (Transgender Bill) আপত্তি সত্ত্বেও অবশেষে আইনে পরিণত হল ট্রান্সজেন্ডারদের অধিকার সংক্রান্ত সংশোধনী বিল, ২০২৬। লোকসভা ও রাজ্যসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল বিলটি। সোমবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু-র স্বাক্ষরের মাধ্যমে সেটি আইনে পরিণত হয়েছে। এখন কেন্দ্রের তরফে নির্ধারিত দিনে এই আইন কার্যকর হবে।
আপত্তি খারিজ (Transgender Bill)
সংসদে বিলটি পাশের সময় বিরোধীদের তরফে (Transgender Bill) একাধিক আপত্তি উঠলেও তা খারিজ হয়ে যায়। ডিএমকে সাংসদ তিরুচি শিবার প্রস্তাব ছিল বিলটি একটি বাছাই কমিটিতে পাঠানোর, কিন্তু তা মানা হয়নি। কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়নমন্ত্রী বিরেন্দ্র কুমার দাবি করেছেন, এই আইন সমাজের সব অংশকে একত্রিত করতে এবং বৈষম্যের শিকার মানুষদের সুরক্ষা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

বাধ্যতামূলকভাবে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট জমা (Transgender Bill)
তবে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সংশোধিত আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নিজেকে রূপান্তরকামী হিসেবে ঘোষণা করতে পারবেন না। সেই স্বীকৃতি পেতে গেলে বাধ্যতামূলকভাবে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। এই প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন ট্রান্সজেন্ডার সংগঠনগুলি এবং মানবাধিকার কর্মীরা। তাঁদের মতে, এতে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে এবং পরিচয় নির্ধারণের অধিকার সীমিত হবে।

আরও পড়ুন: Italy in World CUP FIFA: ইতালির সামনে বাঁচা-মরার লড়াই, সম্মান বাঁচাতে মরিয়া আজুরিরা!
কেন এই নিয়ম?
অন্যদিকে কেন্দ্রের যুক্তি, রূপান্তরকামী পরিচয়ের অপব্যবহার রোধ করতেই এই নিয়ম আনা হয়েছে। তাদের দাবি, ভুয়ো পরিচয়ের কারণে প্রকৃত উপভোক্তারা বঞ্চিত হচ্ছেন। পাশাপাশি আইনে শাস্তির মাত্রাও বাড়ানো হয়েছে-জরিমানার সঙ্গে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, বিলটি সংসদে পাশ হওয়ার আগেই সুপ্রিম কোর্টের-নিযুক্ত একটি কমিটি এটি প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছিল। তবুও বিরোধিতা উপেক্ষা করেই আইনটি কার্যকর হওয়ার পথে। ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে, যা আগামী দিনে আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।


