Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সোমবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে হাজির হয়েছিলেন রূপান্তরকামী সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি সংগঠন (Transgender Voters) । তাঁদের বক্তব্য সম্প্রদায়ের বহু মানুষই পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকেন। ২০০২ সালের সংশোধিত ভোটার তালিকায় কেউ কেউ নাম তুললেও, অসংখ্য রূপান্তরকামীর নাম সেই তালিকায় নেই। নিয়ম অনুযায়ী, নতুন সংশোধিত তালিকায় আত্মীয় বা বাবা-মায়ের তথ্য দিয়ে নাম তোলা যায়। কিন্তু যাঁরা বহু বছর ধরেই পরিবার থেকে আলাদা, তাঁদের কী হবে? এই প্রশ্নই তোলেন তাঁরা। রূপান্তরকামীর কথায়, “আমাদের অনেকেরই বাবা-মা আছেন, কিন্তু জীবনধারা বা মানসিক পরিচয়ের ভিন্নতার জন্য পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সেই অবস্থায় আমরা কি SIR-এ নিজেদের নাম তুলতে পারব না?”

নিজের পরিচয় নিজের হাতে (Transgender Voters)
সর্বাঙ্গীন স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাওয়ার দাবিতে রূপান্তরকামী সংগঠনগুলি সিইও দফতরে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেয়। তাঁদের আবেদনপরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন রূপান্তরকামীদের ক্ষেত্রে ‘গুরু মা’-এর নাম যেন আত্মীয়ের জায়গায় ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়। তাঁরা বলেন, “অনেকের নাম ২০০২ সালের তালিকায় আছে। কিন্তু যাঁদের নেই, তাঁদের জন্য গুরু মায়ের পরিচয়ই আমাদের সবচেয়ে শক্তপোক্ত সামাজিক ভিত্তি।”
বিশেষ সুরক্ষা ও প্রশাসনিক নির্দেশ (Transgender Voters)
সোমবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রূপান্তরকামী সংগঠনগুলিকে আশ্বাস দেন, তাঁদের দাবি যথাযোগ্য গুরুত্ব পাচ্ছে, কোনও রকম অসুবিধা হবে না, প্রশাসন বিশেষ নজরদারিতে রাখবে যাতে কোনও ধরনের হেনস্থা না হয়, এর পর মঙ্গলবারই জেলা শাসকদের কাছে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হয়। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রূপান্তরকামীরা আত্মীয়ের জায়গায় গুরু মায়ের নাম ও তথ্য দিতে পারবেন। এসআইআরে (SIR) নাম তোলার প্রক্রিয়ায় কোনও রূপান্তরকামী হেনস্থার মুখোমুখি হলে তা প্রশাসনিকভাবে অগ্রহণযোগ্য। প্রতিটি দফতরকে বিষয়টি সংবেদনশীলতার সঙ্গে দেখার নির্দেশ। এই সিদ্ধান্তকে রূপান্তরকামী সংগঠনগুলি বড় জয় হিসেবে দেখছে।
আরও পড়ুন: Instagram: ইনস্টাগ্রামে লাভ রিয়্যাক্ট থেকে রক্তারক্তি! ধূপগুড়িতে লাভ স্টোরিতে ভায়োলেন্ট অ্যাঙ্গেল
ভুয়ো ভোটার রুখতে আসছে নতুন প্রযুক্তি (Transgender Voters)
ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন চলাকালীন ভুয়ো ভোটার ঠেকাতে বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিশেষ করে ভুয়ো ছবি বা অন্যের ছবি ব্যবহার করে নাম তোলা এমন জালিয়াতি আটকাতেই আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর স্ক্যানিং প্রযুক্তি। কমিশন সূত্রের খবর একটি নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহার করে প্রতিটি ছবি স্ক্যান করা হবে, অ্যপটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন এটি ছবি স্ক্যান করেই জানিয়ে দেবে ছবি আসল না ভুয়ো, ৯ ডিসেম্বরের পর এই প্রযুক্তি চালু হবে



