Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বহুজাতিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শক্তি বাড়িয়েছে এবং ৯/১১ হামলার সময়ের তুলনায় এখন তাদের সদস্যসংখ্যা ৫০ গুণ বেশি এমনই সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতিপুঞ্জ (UN)। লন্ডনের দ্য টাইমস–এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক দল জানিয়েছে বর্তমানে আল-কায়েদার সদস্য প্রায় ২৫ হাজার, যেখানে ২০০১ সালে ৯/১১ হামলার সময় এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৫ হাজার(UN Al Qaeda)।
সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে পরিসংখ্যান (UN Al Qaeda)
ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬–সহ বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান তৈরি হয়েছে। জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের (UNSC) বার্ষিক বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী হুমকি রিপোর্ট প্রকাশের আগে রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটে এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।
‘হুমকি এখনও রয়েছে’
পর্যবেক্ষক দলের সমন্বয়কারী কলিন স্মিথ সতর্ক করে বলেন, “তারা এখনও হামলার পরিকল্পনা করছে। হুমকি এখনও রয়েছে। একে উপেক্ষা করা বিপজ্জনক হবে।” তাঁর মতে, এখন আর জঙ্গিদের নির্দিষ্ট কোনও ঘাঁটি নেই; আফ্রিকা ও পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে তারা ছড়িয়ে রয়েছে।
নিয়োগ কৌশলেও পরিবর্তন (UN Al Qaeda)
রিপোর্টে বলা হয়েছে, আল-কায়দার নিয়োগ কৌশলেও পরিবর্তন এসেছে। আগে আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সদস্যরা যোগ দিতেন, এখন স্থানীয় ক্ষোভ, দারিদ্র্য ও আর্থিক প্রলোভনকে কাজে লাগানো হচ্ছে। এমনকি ১১ বছর বয়সী কিশোরদেরও টার্গেট করা হচ্ছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রোন ও বিস্ফোরক তৈরির ভিডিও টিউটোরিয়াল ছড়ানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: Iran Hormuz: হরমুজ প্রণালীর কিছু অংশ সাময়িক বন্ধ: ইরানের সিদ্ধান্তে ফের বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ
আল-কায়েদার নিরাপদ আশ্রয়স্থল আফগানিস্তান (UN Al Qaeda)
আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতা দখলের পর দেশটি আল-কায়দার জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে বলে রিপোর্টে দাবি। তালিবানের অস্বীকার সত্ত্বেও, আল-কায়দা তাদের পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে এবং টিটিপি–সহ অন্যান্য গোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিচ্ছে। দক্ষিণ-পূর্ব আফগানিস্তানে আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (AQIS) সক্রিয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।



