Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হাদির হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি বাংলাদেশকে সংযত হতে হবে। উত্তপ্ত বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি জারি করল রাষ্ট্রপুঞ্জ। আপাতত ভোটের কথা মাথায় রেখে সংযম প্রয়োজন বলে মনে করছে রাষ্ট্রপুঞ্জ(United Nations Bangladesh)।
রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিবের বার্তা (United Nations Bangladesh)
রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেস হাদি হত্যাকাণ্ডের বিরোধিতায় বিবৃতি দেন। আসন্ন নির্বাচনের কথা চিন্তা করে তদন্তপ্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার দরকার বলেও মনে করেন গুতেরেস। বাংলাদেশের সাপ্রতিক পরিস্থিতির দিকে রাষ্ট্রপুঞ্জ নজর রেখেছে। গুতেরেসের বার্তা, ‘‘নির্বাচনের উপযোগী শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সমস্ত পক্ষকে হিংসা থেকে বিরত থাকতে হবে, উত্তেজনা কমাতে হবে এবং সংযত হতে হবে।’’
‘কঠিন সময়ে ধৈর্য ধরতে হবে’ (United Nations Bangladesh)
জেনেভা থেকে বাংলাদেশ নিয়ে পৃথক বিবৃতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার সংক্রান্ত হাইকমিশনার ভলকার টার্কও। জানিয়েছেন, হাদির মৃত্যুসংবাদে তিনি ‘অত্যন্ত বিব্রত’। কিন্তু প্রতিশোধ কেবল বিভেদই স্পষ্ট করে। তাতে সব পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়। তাই এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধরতে হবে।
ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হাদি (United Nations Bangladesh)
১২ ডিসেম্বর ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন হাদি। সরকারি উদ্যোগে চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। টানা ছ’দিন লড়াইয়ের পর বৃহস্পতিবার রাতে হাদির মৃত্যুসংবাদ প্রকাশ্যে আসে। এর পরেই বাংলাদেশ জুড়ে শুরু হয় তাণ্ডব।
বাংলাদেশ জুড়ে তাণ্ডবে উদ্বেগ (United Nations Bangladesh)
‘সংগঠিত জনরোষে’ তছনছ হয়ে যায় একাধিক সরকারি ভবন, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আওয়ামি লিগের কার্যালয় এবং দেশের প্রথম সারির দুই সংবাদপত্র প্রথম আলো ও ডেলি স্টার-এর দফতর। খুলনায় এক সাংবাদিককে হত্যা এবং ময়মনসিংহে এক যুবককে মারধরের পর পুড়িয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। হিংসাত্মক কার্যকলাপের নিন্দা করে বিবৃতি দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসও। বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে এ বার মুখ খুলল রাষ্ট্রপুঞ্জও।



