Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অভিবাসনে ফের কড়া ব্যবস্থার প্রস্তব আমেরিকার (US Immigration) প্রশাসনের। মার্কিন অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা মন্ত্রক বা ডিএইচএস-এর পক্ষ থেকে একটি নয়া প্রস্তাব সামনে আনা হল। বয়স এবং আবেদনের প্রকারভেদ নির্বিশেষে সমস্ত অভিবাসনের জন্য আবেদনকারীকে বায়োমেট্রিক তথ্য ডিএনএ ডেটা জমার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তথ্য সংগ্রহে জোর দিতে প্রস্তাব (US Immigration)
ইউএস ফেডেরাল রেজিস্টার ওয়েবসাইটে এই প্রস্তাব প্রকাশ (US Immigration) করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বর্তমানে চালু থাকা তথ্য সংগ্রহ নিয়মকানুনকে আরও বিস্তৃত করতে চায় মার্কিন প্রশাসন। সাধারণভাবে এখন কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যেমন মূলত নাগরিকত্ব, রাজনৈতিক শরণার্থী, ওয়ার্ক পারমিট এবং স্থায়ী বসবাসে ইচ্ছুকদের ক্ষেত্রেই এই নিয়মগুলি কার্যকর হয়ে থাকে।
বায়োমেট্রিকে কী কী থাকবে? (US Immigration)
প্রস্তাবিত নিয়মের ক্ষেত্রে মার্কিন অভ্যন্তরীন নিরাপত্তা মন্ত্রক বায়োমেট্রিক (US Immigration) পরিচিতি জোগাড়ের দায়িত্ব পাবেন। সেই ক্ষেত্রটি বেশ বিস্তৃত হবে বলেও মনে করা হচ্ছে। ফেসিয়াল এবং আইরিশ স্ক্যান, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ভয়েস প্রিন্ট, স্বাক্ষর সহ বেশ কিছু বিষয়কে বায়োমেট্রিক পরিচিতি জোগাড়ের ক্ষেত্র হিসেবে গণ্য করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

নেওয়া হতে পারে ডিএনএ স্যাম্পেলও
বায়োলজিক্যাল সম্পর্ক নির্ধারণের ক্ষেত্রে বা কোনও কোনও সময় অভিবাসনের ক্ষেত্রে কিছু অনুরোধ রক্ষায় যখন বায়োলজিক্যাল প্রামাণ্য নথির প্রয়োজন হয় সেই ক্ষেত্রে ডিএনএ স্যাম্পেল নেওয়া হতে পারে। খসড়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে কেউ ব্যক্তিগতভাবে অভিবাসনের আবেদন করলে বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে কারোও হয়ে সওয়াল করলে ছাড় না মেলা পর্যন্ত বয়সের সীমা নির্বিশেষে বায়োমেট্রিক পরিচিতির জন্য উপস্থিত হতে বাধ্য থাকবেন। এছাড়াও যখন কোনও অনাগরিক অভিসান আধিকারিকদের হাতে আটক হবেন তখন সেক্ষেত্রেও সাধারণভাবে আবেদনের পরেও বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের জন্য ডিএইচএস-কে ডাকা হতে পারে।
আরও পড়ুন: Birth Certificate: ভোটার তালিকা যাচাইয়ে হইচই, বার্থ সার্টিফিকেটেই নজর নির্বাচন কমিশনের?
অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ক্ষেত্রে নজরদারিই লক্ষ্য
ডিএনএ স্যাম্পল সংগ্রহ, পরীক্ষা, ব্যবহার এবং সংগ্রহের ক্ষেত্রে ডিএইচএস-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করাই এই প্রস্তাবের মূল বিষয়। পরিচিতি খতিয়ে দেখা এবং আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে কীভাবে জেনেটিক তথ্যকে কাজে লাগাতেই এই নিয়মের অবতারণা বলে মনে করা হচ্ছে। এখন মূলত দুই জায়গায় অভিবাসনের জন্য ডিএনএ স্যাম্পলের প্রয়োজন পড়ে। বায়োলজ্ক্যাল পরিচিতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সেভাবে কোনও প্রামাণ্য নথি না থাকলে এবং সীমান্ত সমস্যা ও আই প্রণয়নের ক্ষেত্রে এই ডিএনএ স্যাম্পলের প্রয়োজন হয়ে থাকে। নিয়ম চালু হলে অভিবাসনের ক্ষেত্রে ডিএনএ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হয়ে উঠবে।


