Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরানকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযানের শুরুতে একসঙ্গে থাকলেও, এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের মধ্যে মতপার্থক্যের ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে(US Iran)। বিশেষ করে ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডে ইসরায়েলের হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে এই আক্রমণ থেকে দূরত্ব বজায় রাখেন। তিনি জানান, এই হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকে কিছু জানত না এবং কাতারও এতে জড়িত নয়।
ইজরায়েলের কৌশল নিয়ে ওয়াশিংটনের অস্বস্তি (US Iran)
ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি এই ধরনের ধ্বংসাত্মক হামলা সমর্থন করেন না, যদিও প্রয়োজনে প্রতিক্রিয়া জানাতে পিছপা হবেন না। এই মন্তব্য থেকেই বোঝা যাচ্ছে, ইজরায়েলের কৌশল নিয়ে ওয়াশিংটনের অস্বস্তি বাড়ছে।
ভিন্ন লক্ষ্যেই বাড়ছে দূরত্ব
মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসি গ্যাবার্ডও কংগ্রেসে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক ক্ষমতা ধ্বংস করা, কিন্তু ইজরায়েল বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ইরানের নেতৃত্বকে সরিয়ে দিতে। এই ভিন্ন লক্ষ্যই দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করছে।
মত মিলছে না দুপক্ষের (US Iran)
হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, ট্রাম্প দ্রুত এই যুদ্ধ শেষ করতে চাইতে পারেন, যেখানে ইজরায়েল সংঘাত দীর্ঘায়িত করতে আগ্রহী। তাদের মতে, ইজরায়েল ইরানের শাসনব্যবস্থা সম্পূর্ণ বদলাতে চায়, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য নয়।

আরও পড়ুন: NIA Crackdown: রাশিয়ার গোয়েন্দা তথ্য, বড়সড় আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের হদিস, NIA-র জালে ৭ বিদেশি
দুই দেশের উদ্দেশ্য আলাদা (US Iran)
বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, শুরু থেকেই দুই দেশের উদ্দেশ্য আলাদা ছিল। যুক্তরাষ্ট্র সীমিত সামরিক লক্ষ্য পূরণে আগ্রহী, কিন্তু ইসরায়েল চায় ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন। একইসঙ্গে বাড়তে থাকা তেলের দাম ও রাজনৈতিক চাপও ট্রাম্প প্রশাসনকে দ্রুত সমাধানের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল এখনও মিত্র থাকলেও, ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য ও কৌশল নিয়ে তাদের মধ্যে স্পষ্ট মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।



