Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরানের তেল পরিবহণকে কেন্দ্র করে (Oil Import) আন্তর্জাতিক স্তরে ফের কড়া অবস্থান নিল আমেরিকা। বিভিন্ন দেশের মোট ১৪টি তেলবাহী জাহাজের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মার্কিন প্রশাসন। একই সঙ্গে ভারত-সহ আটটি দেশের ১৫টি সংস্থাও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে। অভিযোগ, এই জাহাজ ও সংস্থাগুলি ইরানের তেল, পেট্রোপণ্য ও পেট্রোরাসায়নিক দ্রব্য পরিবহণ ও কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত ছিল।
সমঝোতা বৈঠক (Oil Import)
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শুক্রবার ওমানে ইরান ও (Oil Import) আমেরিকার মধ্যে একটি সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা হলেও, সেই বৈঠকের পরেই আমেরিকার বিদেশ দফতরের তরফে এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা আসে। ফলে কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার ফল খুব একটা ইতিবাচক হয়নি বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

মার্কিন বিদেশ দফতরের বিবৃতি (Oil Import)
মার্কিন বিদেশ দফতরের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইরান সরকার তেল বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ সন্ত্রাসবাদে মদত দিতে এবং দেশের অভ্যন্তরে দমননীতির জন্য ব্যবহার করছে-এই অভিযোগের ভিত্তিতেই এমন কড়া পদক্ষেপ। আমেরিকার দাবি, তেহরান বারবার আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তাকে অগ্রাহ্য করে অস্থিরতা তৈরির পথে হাঁটছে। সেই কারণেই ভবিষ্যতেও এই ধরনের চাপমূলক নীতি বজায় থাকবে।

আরও পড়ুন: Purulia: সংখ্যালঘু ছাত্রকে হুমকির অভিযোগ, পুরুলিয়া মেডিকেলে র্যাগিং নিয়ে চাঞ্চল্য
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় চিন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাজাখস্তান, সিচেল্স, মার্শাল আইল্যান্ডস এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের বিভিন্ন সংস্থার নাম রয়েছে। ভারতের ক্ষেত্রে এলেভেট মেরিন ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, সংস্থাটি ‘বেনেডিক্ট’ নামে একটি তেলবাহী জাহাজ পরিচালনা করত, যা নির্দিষ্ট সময়কালে একাধিকবার ইরানের তেল পরিবহণে যুক্ত ছিল। সংস্থার মালিক ভারতীয় নাগরিক আকাশ অনন্ত শিন্ডের নামও নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে।


