Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি নিয়ে (US Tariff War) আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ফের নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, সত্যিই কি ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা কমিয়েছে বা পুরোপুরি বন্ধ করেছে? এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নয়াদিল্লি বা মস্কো-কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ঘোষণা করেনি। তবু মার্কিন প্রশাসনের তরফে বারবার দাবি করা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারির পর ভারত নাকি রাশিয়ার তেল কেনার পথে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে।
দাবি আরও জোরালো (US Tariff War)
এই দাবিকে আরও জোরালো করেছেন মার্কিন (US Tariff War) অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্পের ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সম্ভাব্য হুমকির পরই ভারত রাশিয়ার তেল আমদানির ক্ষেত্রে ‘উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ’ গ্রহণ করেছে। বেসেন্টের মতে, এর আগেই ভারতীয় পণ্যের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক বসানো হয়েছিল, তার পরেই নয়াদিল্লি তেল কেনার সিদ্ধান্তে রাশিয়ার উপর নির্ভরতা কমিয়েছে।
রাশিয়ার সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা চিন (US Tariff War)
তবে শুধু ভারত নয়, বেসেন্টের বক্তব্যে উঠে এসেছে চিন ও ইউরোপের (US Tariff War) নামও। এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমালেও ইউরোপীয় দেশগুলি এখনও সেই পথে হাঁটছে। তাঁর আরও অভিযোগ, রাশিয়ার সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা এখন চিন। সেই কারণেই চিনের উপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর পরিকল্পনা দীর্ঘদিন ধরেই বিবেচনায় রয়েছে ওয়াশিংটনের। বেসেন্ট আশা প্রকাশ করেছেন, খুব শিগগিরই সেই পরিকল্পনা বাস্তব রূপ পেতে পারে।

আলোচনা শুরু
এই ৫০০ শতাংশ শুল্ক সংক্রান্ত একটি বিল নিয়ে ইতিমধ্যেই মার্কিনে আলোচনা শুরু হয়েছে। রিপাবলিকান নেতা লিন্ডসে গ্রাহাম সম্প্রতি জানিয়েছেন, খুব তাড়াতাড়ি ওই বিল আইনসভায় পেশ করা হবে। তাঁর দাবি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিমধ্যেই এতে সম্মতি দিয়েছেন। গ্রাহামের যুক্তি, যে সব দেশ সস্তায় রাশিয়ার তেল কিনে ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য পুতিনকে আর্থিক সাহায্য করছে, তাদের শাস্তি দিতেই এই আইন।

আরও পড়ুন: Horoscope Today: কুম্ভে চন্দ্র গোচর, ব্যাতিপত যোগে কার ভাগ্য খুলবে?
গ্রাহাম ওই প্রসঙ্গে চিন, ব্রাজ়িলের পাশাপাশি ভারতের নামও করেছিলেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রয়োজনে ভারতের উপরেও ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। যদিও বেসেন্টের মতে, বর্তমানে রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে ভারত যে অবস্থান নিয়েছে, তাতে তাদের উপর এই চরম শুল্ক চাপানো নাও হতে পারে। তবে শেষ সিদ্ধান্ত যে ট্রাম্পের হাতেই, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।


