Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা জালিয়াতির অভিযোগে ১১ জন ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে মার্কিন ফেডারেল প্রসিকিউটররা(US Visa Fraud)। অভিযোগ, তারা পরিকল্পিতভাবে দোকানে সাজানো ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়ে নিজেদের অপরাধের শিকার হিসেবে দেখিয়ে অভিবাসন সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
সাজানো ডাকাতির নাটক (US Visa Fraud)
মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, অভিযুক্তরা এমনভাবে ভুয়ো ডাকাতির ঘটনা সাজাতেন যাতে দোকানের কর্মচারীরা নিজেদের হিংস্র অপরাধের শিকার দাবি করে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। এই ভিসা পেলে কাজ করার অনুমতি পাওয়া যায় এবং পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে গ্রিন কার্ডের পথও খুলে যায়।
১১ ভারতীয়র বিরুদ্ধে অভিযোগ
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তারা হলেন জিতেন্দ্রকুমার প্যাটেল (৩৯), মহেশকুমার প্যাটেল (৩৬), সঞ্জয়কুমার প্যাটেল (৪৫), দীপিকাবেন প্যাটেল (৪০), রমেশভাই প্যাটেল (৫২), অমিতা বহেন প্যাটেল (৪৩), রোনাক কুমার প্যাটেল (২৮), সঙ্গীতা বেন প্যাটেল (৩৬), মিনকেশ প্যাটেল (৪২), সোনাল প্যাটেল (৪২) এবং মিতুল প্যাটেল (৪০)।
প্রাথমিক শুনানির পর মুক্ত ৬
এদের মধ্যে জিতেন্দ্রকুমার, মহেশকুমার, সঞ্জয়কুমার, অমিতা বহেন, সঙ্গীতা বেন এবং মিতুলকে ম্যাসাচুসেটসে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ ২০২৬) বস্টনের ফেডারেল আদালতে প্রাথমিক শুনানির পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
সিসিটিভিতে সাজানো ডাকাতি (US Visa Fraud)
তদন্তে জানা গেছে, ২০২৩ সালের মার্চ মাসে অভিযুক্তরা ম্যাসাচুসেটসসহ একাধিক এলাকায় অন্তত ছয়টি কনভেনিয়েন্স স্টোর, মদের দোকান এবং ফাস্টফুড রেস্তোরাঁয় সাজানো ডাকাতির ঘটনা ঘটায়। এই ঘটনাগুলিতে একজন ব্যক্তি অস্ত্রের মতো দেখতে বস্তু দেখিয়ে দোকানের ক্যাশ থেকে টাকা নিয়ে পালিয়ে যেতেন। পুরো ঘটনাটি সিসিটিভিতে ধরা পড়ত। এরপর দোকানের কর্মীরা অন্তত পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে পুলিশে ফোন করতেন।
আরও পড়ুন: Chandannagar: রাতের নিস্তব্ধতায় বিস্ফোরণের পর আগুন চন্দননগরের
ঘটনার পিছনে বড় চক্র (US Visa Fraud)
প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, এই ভুয়া ডাকাতির নাটকে অংশ নিতে তথাকথিত ‘ভুক্তভোগীরা’ আয়োজককে টাকা দিতেন। আর সেই আয়োজক দোকান মালিকদেরও টাকা দিয়ে তাদের দোকানে ঘটনাগুলি ঘটানোর ব্যবস্থা করতেন। দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড, তিন বছর পর্যবেক্ষণমূলক মুক্তি এবং ২ লক্ষ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।



