Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিজেপির দাবি, তৃণমূলের কর্মীরাই এই পোস্টার দিয়েছে (Uttarpara), পাল্টা তৃণমূলের দাবি এর সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক নেই।সিপিএম এর মানুষের সঙ্গে কোনো যোগ নেই।তারা এসব যত করবে তত ভোট বারবে দাবী শীষণ্যর। বিধানসভা ভোটের মুখে উত্তরপাড়ায় পোস্টার কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা। হিন্দমোটর, রবীন্দ্রনগর, বিধানপার্ক সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় পোস্টার লক্ষ্য করা যায়। পোস্টারে লেখা “খোকা এখনো বাপ ছাড়া একা রাস্তায় বের হতে শেখেনি সে নেবে উত্তর পাড়ার মানুষের দায়িত্ব?” নীচে লেখা উত্তরপাড়া কল্যান পরিষদ।

তবে এই পোস্টারে কোন রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রতীক নেই। কে বা কারা এই পোস্টার দিল তাও জানা যায়নি। ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে সেই ছবি। আর এই পোস্টারকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
উল্লেখ্য উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষন্য বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও একজন আইনজীবী। অন্যদিকে সিপিএম প্রার্থী করেছে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় কে। বিজেপির তৃতীয় দফার প্রার্থী তালিকায় প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তীকে প্রার্থী করে চমক দিয়েছে।
বিজেপি নেতা প্রণয় রায় বলেন (Uttarpara)
তৃণমূলের কর্মীরা এই পোস্টার দিয়েছে। বাবার কেমন ব্যবহার সেটা তৃণমূলের কর্মীরাই জানে (Uttarpara)। তার ছেলে নাকি তার থেকেও এককাটি উপরে। উত্তরপাড়ায় কোন খোকাবাবু কোন খুকু মনি নয় ,উত্তরপাড়ায় একজন সৈনিক এসেছেন । তিনি এতদিন দেশের সৈনিক হিসেবে লড়াই করেছেন এবার উত্তরপাড়ায় মানুষের জন্য গণতান্ত্রিকভাবে মানুষের অধিকার নিয়ে লড়াই করবেন । একজন প্রার্থী তার পরিচয় কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে হতে পারে না। তার একটা নাম রয়েছে তার একটা পরিচিত হওয়ার কথা। কল্যাণ ব্যানার্জি ছেলে যখন প্রার্থী এই অঞ্চলের তৃণমূলের যারা কর্মী তারা সামনে আসতে পারছেন না তারাই হয়তো দিয়েছে ।যাদেরকে জিজ্ঞেস করছি তারা বলছে কল্যাণ ব্যানার্জীর ছেলে।

আরও পড়ুন: Bengal Elections 2026: বিক্ষোভে উত্তাল দফতর, মানতে নারাজ বিজেপিরই একাংশ
পাল্টা তৃণমূল প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন (Uttarpara)
পোস্টারে আমার নাম নেই। তবুও যদি ধরে নিই ওই পোস্টারটা ফেসবুকে যিনি দিয়েছেন শতরূপ ঘোষ নির্বাচনে তিনবার নিজের কেন্দ্রে গো হারা হেরেছেন । গতবার নির্বাচনে চল্লিশ হাজার ভোট পাননি । উনি আগে নিজের ভোটটাকে পাবার চেষ্টা করুন । সমাজ মাধ্যমে যতগুলো ভিউজ পান ততগুলো ভোট পান না। লোকসভা নির্বাচনেও সিপিএম প্রার্থীর দীস্পিতা ধর ২ লক্ষ ৪০ হাজার ভোট পেয়েছেন। সেখানে বর্তমান তৃণমূল সাংসদ ৬ লক্ষ ৭০ হাজার ভোট পেয়েছেন। বামেরা হলো সোশ্যাল মিডিয়া ওরিয়েন্টেড পার্টি। লিচু তলায় তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা যা ইচ্ছা তাই বলুক। এতে আমার ভোট বাড়বে। কমবে না। কে কার হাত ধরে এসেছে? আগামী চৌঠা মে তার জবাব দিয়ে দেবে। পরের সিটটা বেছে রাখুন মিনাক্ষী। বিজেপির বক্তব্যকে পাল্টা কটাক্ষ করে শীর্ষন্য বলেন, এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনো সম্পর্ক নেই রাজনৈতিক অপলাপ। তৃণমূল জড়িত নয়।
সিপিএম এর শ্রুতিনাথ প্রহরাজ বলেন,রুচিহীন রাজনীতি যারা করছেন তারাই এগুলোর উত্তর দিতে পারবেন এসবের মধ্যে আমরা নেই।আমরা মানুষের জন্য লড়ছি মীনাক্ষী কে সামনে রেখে বিধানসভায় মানুষের কথা তুলে ধরতে।এগুলো যারা করছেন তারা মানুষের জীবন জীবিকার বিষয়গুলোকে এড়িয়ে এসব বিষয়গুলোকেই প্রাধান্য দিতে চান।



