Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আজকের দ্রুতগতির জীবনযাত্রা, অনিয়মিত (Vaginal Lubrication Health) খাদ্যাভ্যাস, দীর্ঘ সময় কাজের চাপ এবং মানসিক উদ্বেগ-সব মিলিয়ে শরীর ও মনের উপর প্রভাব পড়ছে স্পষ্টভাবেই। এর প্রভাব শুধু সাধারণ স্বাস্থ্যে নয়, যৌনস্বাস্থ্যের উপরেও পড়ছে। বিশেষ করে বহু মহিলা একটি বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন-গোপনাঙ্গ সব সময় ভেজা থাকা। অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে, এটা কি কোনও বড় অসুস্থতার লক্ষণ?
সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া (Vaginal Lubrication Health)
আসলে চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে (Vaginal Lubrication Health) দেখলে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। মহিলাদের যোনি নিজে থেকেই নির্দিষ্ট সময়ে লুব্রিকেট হয়। শুধু যৌন মিলনের সময় নয়, দিনের বিভিন্ন সময়েই এই প্রাকৃতিক আর্দ্রতা তৈরি হতে পারে। এর মূল উদ্দেশ্য হল যোনিকে সুস্থ রাখা, সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা এবং কোষগুলিকে আর্দ্র ও কার্যক্ষম রাখা।

তরল নিঃসৃত (Vaginal Lubrication Health)
যোনির দেওয়ালের কোষ থেকেই এই (Vaginal Lubrication Health) তরল নিঃসৃত হয়। এটি শরীরের নিজস্ব সুরক্ষা ব্যবস্থার অংশ। এই ভ্যাজাইনাল ফ্লুইড যোনির ভিতরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে দূরে রাখতে সাহায্য করে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। তাই হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার ভেজাভাব সাধারণত চিন্তার কারণ নয়।

কিছু ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি
তবে কিছু ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি। যদি এই ভেজাভাবের সঙ্গে দুর্গন্ধ, অস্বাভাবিক রং (হলুদ, সবুজ বা ধূসর), চুলকানি, জ্বালা বা ব্যথা দেখা যায়, তাহলে তা সংক্রমণের ইঙ্গিত হতে পারে। যেমন ফাঙ্গাল ইনফেকশন, ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস বা অন্যান্য যৌনরোগের ক্ষেত্রে এমন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তখন দেরি না করে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
আরও পড়ুন: Republic Day Threat Foiled: প্রজাতন্ত্র দিবসে বড় নাশকতার ছক! ঘটনায় গ্রেফতার এক দাগি অপরাধী
এছাড়া হরমোনের পরিবর্তন, ডিম্বস্ফোটনের সময়, গর্ভাবস্থা, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বা মানসিক উত্তেজনার কারণেও যোনি বেশি ভেজা থাকতে পারে। এগুলিও বেশিরভাগ সময় স্বাভাবিক এবং ক্ষতিকর নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নিজের শরীরকে বোঝা। অযথা লজ্জা বা ভয় না পেয়ে, উপসর্গের ধরন লক্ষ্য করা জরুরি। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, আঁটসাঁট সিন্থেটিক অন্তর্বাস এড়িয়ে চলা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করলে এই ধরনের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।


