Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভাইজাগ ও অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক ডাকাতির ঘটনার নেপথ্যে থাকা এক প্রাক্তন আইটি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ(Vijag IT Burglary)। অভিযুক্তের নাম আচ্ছি মহেশ রেড্ডি, ওরফে সানি (২৭)। বিলাসবহুল জীবনযাপন চালিয়ে যাওয়ার জন্যই সে এই ডাকাতির পথ বেছে নিয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তদন্ত ও তল্লাশির পর গ্রেফতার (Vijag IT Burglary)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ কয়েক মাস তদন্ত ও তল্লাশির পর সানিকে গ্রেফতার করা হয়। সম্প্রতি ভাইজাগ শহরের বিভিন্ন এলাকায় রাতে একাধিক বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগ আসছিল। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, এই সমস্ত ঘটনার পিছনেই রয়েছে সানি।
বিলাসিতার খরচ জোগাতেই চুরি
সানি একজন স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী যুবক। সে আগে হায়দরাবাদের একটি নামী আইটি সংস্থায় কাজ করত। কাকিনাড়া জেলার বাসিন্দা সানি বর্তমানে ভাইজাগের মাধবধারা এলাকায় থাকত। পুলিশের দাবি, দামি বিএমডব্লিউ গাড়ি কেনা, বিদেশ ভ্রমণ ও ব্যয়বহুল জীবনযাপনের খরচ জোগাতেই সে চুরির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে।
২৬টি বাড়ির দরজা ভেঙে ডাকাতি (Vijag IT Burglary)
গ্রেফতারের পর ভাইজাগ শহরের গাজুওয়াকা, আরিলোভা, মলকাপুরম, পেন্দুরথি ও দুব্বাদা থানার আওতায় থাকা মোট ২৬টি বাড়ির দরজা ভেঙে ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে। এসব ঘটনায় প্রায় ২৪.৬৬ লক্ষ টাকার গয়না ও নগদ অর্থ চুরি হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল ১,০৮৪ গ্রামের বেশি সোনা, ৬,৩০০ গ্রামেরও বেশি রুপো এবং ৪০,৫০০ টাকা নগদ।
১৫.৬৩ লক্ষ টাকার জিনিস উদ্ধার (Vijag IT Burglary)
গ্রেফতারের সময় পুলিশ ৬৯৯ গ্রাম সোনার গয়না, ৩.৮ কেজি রুপোর গয়না, চুরির টাকায় কেনা একটি বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ গাড়ি, নম্বরবিহীন স্কুটার এবং বিভিন্ন ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মোট মূল্য প্রায় ১৫.৬৩ লক্ষ টাকা।
আরও পড়ুন: Antarctica Blood: পাহাড়ের রক্তক্ষরণ! জানেন কি আন্টার্কটিকায় ব্লাড ফলসে লুকিয়ে আছে কোন রহস্য?
সানির বিরুদ্ধে চুরির ইতিহাস (Vijag IT Burglary)
ভাইজাগের পুলিশ কমিশনার শঙ্খব্রত বাগচি জানিয়েছেন, কিশোর বয়স থেকেই সানির বিরুদ্ধে চুরির ইতিহাস রয়েছে। ১৫ বছর বয়সে সে প্রথম ধরা পড়ে এবং কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। পরে বিভিন্ন জেলায় চুরি করে রাজামুন্দ্রি সেন্ট্রাল জেলেও সাজা ভোগ করেছে। পুলিশ রেকর্ড অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে ৬০টির বেশি ডাকাতির মামলায় তার নাম জড়িত। তদন্ত এখনও চলছে।



