Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী কুঠিবাড়ির পল্লি সংগঠন বিভাগের প্রধান কার্যালয়ে হঠাৎ আগুন লাগে (Visva Bharati University)। কুঠিবাড়িটি দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। আগুনের সূত্রপাতের সঙ্গে সঙ্গেই অফিসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

দমকল পৌঁছনোর আগেই নিয়ন্ত্রণ (Visva Bharati University)
অফিসের কর্মী ও আধিকারিকদের দ্রুত তৎপরতায়, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের সাহায্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। খবর দেওয়া হয় দমকলকেও, তবে তাঁদের পৌঁছনোর আগেই আগুন অনেকটাই নেভানো সম্ভব হয়। ফলে বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলেই বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
উৎসব-পরবর্তী প্রথম দিনেই বিপত্তি (Visva Bharati University)
দুর্গোৎসবের অবকাশ শেষে বৃহস্পতিবারই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত দপ্তর খুলেছিল। সেই দিনেই ঘটে এই অগ্নিকাণ্ড। সকালে স্বাভাবিকভাবে অফিস শুরু হলেও, কিছুক্ষণের মধ্যেই নিরাপত্তারক্ষীরা বাতানুকূল যন্ত্র (AC) থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান। এরপরই আতঙ্ক ছড়ায় কর্মীদের মধ্যে।

ঐতিহ্যবাহী স্থানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন (Visva Bharati University)
বিশ্বভারতীর ঐতিহ্য বহনকারী কুঠিবাড়ি শুধু একটি ভবন নয় এখানেই সংরক্ষিত রয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বহু মূল্যবান ছবি, চিঠি ও স্মৃতি। ফলে সামান্য আগুনও বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, “নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের পরীক্ষা না হওয়ার ফলেই এমন ঘটনা ঘটেছে।” প্রশ্ন উঠছে, এত ঐতিহ্যবাহী স্থানের রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকমতো হচ্ছে তো?
অল্পের জন্য রক্ষা পেল ঐতিহ্য (Visva Bharati University)
নিরাপত্তারক্ষী ও অফিসকর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপেই মূল্যবান স্মারক ও নথিপত্র রক্ষা পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, AC-এর শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত।
আরও পড়ুন: Mount Everest: নেপাল নয়, ভারত থেকেই দেখা গেল মাউন্ট এভারেস্ট কীভাবে সম্ভব?

তদন্তের দাবি
এই ঘটনার পর বিশ্বভারতী প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে। সূত্ৰের খবর, স্থানীয় সাংস্কৃতিক মহল দাবি তুলেছেন, “এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী স্থানের রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ জরুরি।” সচেতনতা ও দ্রুত পদক্ষেপে এই বার অল্পের জন্য রক্ষা পেলো কবিগুরুর স্মৃতিবাহী কুঠিবাড়ি।



