Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বেঁচে থাকতে মানুষের জীবনে তিনটি (WB Election 2026) প্রয়োজন। ‘রোটি-কাপড়া-মকান’. কিন্তু এই তিনটি অত্যাবশকীয় প্রয়োজন মেটানোর জন্য চাই টাকা। টাকা তো উপার্জন করতে হয়। পথ দুটোই, চাকরি অথবা ব্যবসা। ব্যবসার জন্য পুঁজি চাই, আর চাকরির জন্য চাই মেধা। কিন্তু মেধা থাকলেই কি মিলছে চাকরি? অনেকাংশের উত্তর ‘না’ই হবে। সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, রাজ্যে কি চাকরির সুযোগ আছে? এই প্রশ্ন অনেকের মনেই থাকে। কিন্তু সেই প্রশ্ন করতে পারে কজন?
নির্বাচনী প্রচারের বিভিন্ন রকম (WB Election 2026)
রাজ্যে শুরু হয়েছে নির্বাচিনী (WB Election 2026) প্রচার। কেউ বা রুটি বলছেন, কেউ বা বাটনা বাটছেন, কারোর বা হাতে দাড়ি কামাবার ক্ষুর। এভাবেই হাত জোড় করে জনগণের দুয়ারে দুয়ারে ভোট চাইতে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। জন প্রতিনিধিদের কাছে পেয়ে কেউ বা আপ্লুত, কেউ বা উগরে দিচ্ছে না হওয়া উন্নয়নের খতিয়ান। এরকমই এক চিত্র ধরা পড়ল আরামবাগে।
স্পষ্ট প্রশ্ন, অস্পষ্ট জবাব (WB Election 2026)
আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ বেরিয়েছিলেন (WB Election 2026) নির্বাচনী প্রচারে। এই সময়ই এক মহিলার (আরামবাগের মায়াপুর-২ পঞ্চায়েতের বামসা এলাকার ভোটার) কাছে তিনি ভোট চাইতে গেলে তিনি সাফ জানান, “আমার ছেলেকে যে চাকরি দেবে, আমি তাকেই ভোট দেব।” তিনি আরও জানান, ” আমার ছেলে এম.এ. পাশ করে বসে আছে। স্বামী ক্ষেতে যায় কাজ করতে। এখনও চাকরি পায়নি আমার ছেলে। অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করেছে সে। তিন লক্ষ টাকা দিয়ে পড়িয়েছি ছেলেকে।” ভোটারের কথা শুনে যথাযথ আশ্বাস দেবার চেষ্টা করেন তৃণমূল প্রার্থী। কিন্তু সেই মা নিজের অবস্থানে অনড়। আর এই ভিডিওই মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে নেটপাড়ায়।

নির্বাচনী প্রচারে অভিনবত্বের আমেজ
এর আগেও মিতা বাগের নির্বাচনী প্রচারে পাওয়া গেছে অভিনবত্বের আমেজ। কখনও তিনি দোকানে গিয়ে চপ ভাজছেন, কখনও বাটছেন মশলা। ভোটের প্রচারে বেরিয়ে ঘুঁটে শুকোতেও দেখা গেছে তাঁকে। সমর্থকদের মতে, মিতা বাগ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি হিসেবে যথেষ্ট উন্নয়ন করেছেন। কিন্তু সাবলীল এক ‘মা’-এর স্পষ্ট এক প্রশ্ন যেন, বাস্তবটাকে আরও বেশি করে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

আরও পড়ুন: Sikkim Land Slide: উত্তর সিকিমে ফের ধসের থাবা, আটকে পর্যটকরা, বন্ধ রাস্তাঘাট!
অব্যাহত উন্নয়নের ধারা
যদিও রাজ্য সরকারের তরফে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে কোনও ত্রুটি রাখা হয়নি। কন্যাশ্রী, যুবসাথী, স্বাস্থ্যসাথী-র মত একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের রূপায়ণ করা হয়েছে। মানুষও বেশ উপকৃত হয়েছে। ভোটের আগেই বাড়ানো হয়েছে একাধিক ভাতা। তবুও জনগণ ভাতার থেকে খানিকটা বেশি ‘ভাত’ জোগাড় করার জন্য চাকরির খোঁজে তৎপর।



