Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নির্বাচনের মরসুমে এবার ‘মাছ’ নিয়ে শুরু রাজনৈতিক তরজা। হলদিয়া থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অভিযোগ, মাছের জন্য অন্য রাজ্যের ওপর নির্ভর করতে হয় বাংলাকে (West Bengal Elections)। পাল্টা মিনাখাঁ থেকে জবাব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, বাংলাদেশ বা হায়দরাবাদ নয়, মাছ উৎপাদনে বাংলা এখন আত্মনির্ভর।

উৎপাদনে পিছিয়ে বাংলা? (West Bengal Elections)
একুশ হোক বা ছাব্বিশ, বাংলার ভোট প্রচারে বারবার ঘুরে ফিরে আসে খাদ্যভ্যাস আর সংস্কৃতি। আর তা করতে গিয়েই আমিষ খাবার বিতর্কে বারবার নাম জড়িয়েছে বিজেপির। তৃণমূলের অভিযোগ, বাঙালির খাদ্যভাস বদলানোর চেষ্টা করছে পদ্মশিবির। সে কারণেই মাছ, মাংস খাওয়ারও বিরোধিতা করছে বিজেপি। যদিও ভোটমুখী বাংলায় সে অভিযোগ খণ্ডনে ব্যস্ত পদ্মশিবির। বৃহস্পতিবার বাংলায় এসে সেই মৎস্য ইস্যুতেই তৃণমূল সরকারকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর দাবি, বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও মাছ উৎপাদনে পিছিয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।
প্রধানমন্ত্রীর এই আক্রমণ ধোপে টেকেনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। মিনাখাঁর সভা থেকে পাল্টা পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলা এখন মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। আগে যে ইলিশের জন্য বাংলাদেশের দিকে চেয়ে থাকতে হত, আজ গবেষণার মাধ্যমে সেই ইলিশ বাংলাতেই রেকর্ড পরিমাণে উৎপাদিত হচ্ছে।
কোথায় দাঁড়িয়ে বাংলা? (West Bengal Elections)
রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির বিরুদ্ধে বারবার ‘আমিষ-বিরোধী’ তকমা সেঁটে দিয়েছে তৃণমূল। বঙ্গবাসীর পাতে মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার আশঙ্কার মোকাবিলা করতেই এবার মোদির মুখে শোনা গেল ‘মৎস্য আখ্যান’। দিলীপ ঘোষ থেকে শুরু করে অন্য বিজেপি প্রার্থীদেরও দেখা যাচ্ছে মাছের বাজারে গিয়ে জনসংযোগ করতে।
আরও পড়ুন: Matua: শাহকে রুটি-পায়েস খাইয়েও স্বপ্নভঙ্গ! সেই নবীন বিশ্বাসই এবার তৃণমূলের মিছিলে
একদিকে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদল আর আত্মনির্ভরতার অভাব নিয়ে মোদির তোপ, অন্যদিকে মাছ উৎপাদনে সাফল্যের খতিয়ান দিয়ে মমতার ডিফেন্স। ভোটের ময়দানে শেষ পর্যন্ত কোন পক্ষের ‘মাছ’ সাধারণ মানুষের মন জয় করে, এখন সেটাই দেখার।



