Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ প্রস্তাব করা ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ দেশের কোটি কোটি নারীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। দাবি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র নোদির(Women Reservation Bill। তিনি সব সাংসদদের এই ঐতিহাসিক উদ্যোগকে সমর্থন করার আহ্বান জানিয়েছেন।
নারী অধিকারের পক্ষে মোদি (Women Reservation Bill)
মোদি বলেন, “সমাজ তখনই এগোয়, যখন নারীরা এগোয়। এই বিল সেই চিরন্তন নীতিরই পুনরায় প্রতিষ্ঠা।” উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এই বিল পাশ হলেও, ২০২৭ সালের জনগণনা ও পরবর্তী সীমা নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন) প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই এটি কার্যকর হবে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে ২০৩৪ সালের আগে এটি বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা কম।
‘আরও শক্তিশালী নারীর ক্ষমতায়ন’
প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নে নারীদের অবদানের কথাও তুলে ধরেন। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ব্যবসা, ক্রীড়া থেকে শুরু করে সশস্ত্র বাহিনী ও শিল্পকলায় নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও মৌলিক পরিষেবায় প্রবেশাধিকারের উন্নতি নারীর ক্ষমতায়নকে আরও শক্তিশালী করেছে বলেও জানান।
নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ
তবে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীদের প্রতিনিধিত্ব এখনও কম বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মোদি। তাঁর মতে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়লে শাসনব্যবস্থা আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে। তিনি চান, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেই এই সংরক্ষণ কার্যকর হোক।
বিল বাস্তবায়মের উদ্যোগ (Women Reservation Bill)
প্রধানমন্ত্রী ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ পাশ হওয়াকে তাঁর জীবনের অন্যতম বিশেষ মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই বিল নিয়ে আলোচনা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। অবশেষে ২০২৩ সালে সর্বসম্মতভাবে এটি পাশ হয়েছে।”
আরও পড়ুন: India Chabahar: অনিশ্চিত ভারতের চাবাহার বন্দর প্রকল্প: যুদ্ধবিরতিতে প্রভাব পড়বে প্রকল্পে?
আর বিলম্ব নয় (Women Reservation Bill)
এই আইনে লোকসভা, রাজ্য বিধানসভা এবং দিল্লি বিধানসভায় মোট আসনের এক-তৃতীয়াংশ নারীদের জন্য সংরক্ষণের বিধান রাখা হয়েছে। মোদি জোর দিয়ে বলেন, নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে আর দেরি করা উচিত নয়, কারণ প্রতিটি বিলম্ব গণতন্ত্রকে দুর্বল করে।



