Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বকাপ জেতার পর অধিনায়ক সূর্যকুমারের গলায়ও শোনা গেল গম্ভীরের সুর (Suryakumar Yadav)।
দলের সাফল্যকেই প্রাধান্য সূর্যর (Suryakumar Yadav)
ভারতের এই সাফল্যের পিছনে অনেকের অবদান রয়েছে যাদের মধ্যে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে ২০২৪ সালে ভারতের ভিত আরও শক্ত হয়। সেই বছরই ভারত দ্বিতীবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে। এরপর আবার ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে ভারত সূর্যকুমারের নেতৃত্বে। পরপর দুইবার শিরোপা জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করছে ভারতীয় দল। বর্তমান টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার এ সাক্ষাৎকারে বলেন শেষ দুই বছরে খেলার ধরণ বদলেছে কীভাবে এবং এর পাশাপাশি রাহুল দ্রাবিড়-রোহিত শর্মার ভাবনাচিন্তার থেকে নতুন ভাবধারার বদল হয়েছে কীভাবে (Suryakumar Yadav)।
২০২৪ সালে যখন ভারতীয় দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল, রোহিত শর্মা ছিলেন অধিনায়ক এবং হেড কোচ ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। টুর্নামেন্টের শেষে রোহিত শর্মা অবসর নেন টি-টোয়েন্টি থেকে। রাহুল দ্রাবিড়ও তাঁর কোচিং মেয়াদের ইতি টানেন। এরপর দলের নেতৃত্বের ভার তুলে দেওয়া হয় সূর্যকুমারের কাঁধে। হেড কোচ গম্ভীর। এই নতুন বদলের সঙ্গে নতুন চিন্তাভাবনার প্রবেশ হয় ভারতীয় ড্রেসিং রুমে। গম্ভীরকে অনেকবার বলতে শোনা গিয়েছে তাঁর অধীনে দল ব্যক্তিগত মাইলফলকের জন্য খেলে না বা ব্যক্তিগত সাফল্যের জায়গা নেই। প্রত্যেক সদস্যই গুরুত্বপূর্ণ দলের কাছে আর এই একই কথা শোনা গেল অধিনায়ক সূর্যকুমারের গলায় (Suryakumar Yadav)।

আরও পড়ুন: House Collapse: জোড়াসাঁকোয় বিপজ্জনক বাড়ি মেরামতির সময় হুড়মুড়িয়ে ভাঙল সিঁড়ি
সাক্ষাৎকারে সুর্য বলেন, ‘আমরা জানতাম ২০২৪ সালের টি২০ বিশ্বকাপে যে ধরনের ক্রিকেট খেলেছিলাম, সেটা ভবিষ্যতে কাজ করবে না। তাই আমরা আমাদের নতুন ভাবনা দলের মধ্যে এনেছি, যা ধীরে ধীরে সবার কাছে পৌঁছেছে। আমরা ঠিক করেছি, ব্যক্তিগত রেকর্ডের দিকে মন দেব না, মূল লক্ষ্য শুধু ম্যাচ জেতা। সেমিফাইনাল পর্যন্ত দেখেছেন, আমাদের কোনও খেলোয়াড় শীর্ষ রান বা শীর্ষ উইকেটশিকারী ছিল না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘কিন্তু আমরা কোয়ালিফাই করেছি এবং ম্যাচ জিতেছি। প্রতিটি খেলোয়াড় প্রতিটি ম্যাচে অবদান রেখেছে। দলের এই সংস্কৃতি আমরা ১৮ মাস আগে থেকেই প্রতিষ্ঠা করেছি।’

সেখানে তিনি আরও বলেন, ‘আগে মানুষ ভাবত ভারত দুই ধরনের খেলে আইসিসি টুর্নামেন্টে ভিন্ন এবং দ্বিপাক্ষিক সিরিজ়ে ভিন্ন। আমরা এই চিন্তাভাবনা বদলাতে চেয়েছিলাম। বড় ম্যাচে চাপ সামলাতে খেলোয়াড়দের কঠিন পরিস্থিতিতে রাখতাম। আমরা চাই আইসিসি ইভেন্টেও দ্বিপাক্ষিক সিরিজের মতো সাহসী ও উন্মুক্ত ভাবে খেলুক দল (Suryakumar Yadav)।’


