Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: একদিন অফিসে গিয়ে সন্ধ্যায় ফিরলেন কোটিপতি হয়ে এ যেন রূপকথা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের ফাইবারবন্ড (Fibrebond) কারখানার ৫০০-র বেশি কর্মীর ক্ষেত্রে এটাই বাস্তব। কোম্পানির সিইও গ্রাহাম ওয়াকার কর্মীদের হাতে তুলে দেন ছয় অঙ্কের বোনাস চেক। মোট বোনাসের অঙ্ক ২৪০ মিলিয়ন ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২,১৫৪ কোটি টাকা(Xmas Bonus)।
বিশ্বাসই তৈরি করে অটুট আনুগত্য (Xmas Bonus)
১৯৮২ সালে ফাইবারবন্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গ্রাহাম ওয়াকারের বাবা ক্লড ওয়াকার। শুরুতে টেলিফোন ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের কাঠামো বানালেও পরে মোবাইল টাওয়ারের কংক্রিট এনক্লোজার তৈরিতে বিশেষজ্ঞ হয় সংস্থাটি। তবে ১৯৯৮ সালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কারখানা পুড়ে গেলে ব্যবসা প্রায় ধ্বংসের মুখে পড়ে। তবুও কর্মীদের বেতন দেওয়া বন্ধ হয়নি এই বিশ্বাসই তৈরি করে অটুট আনুগত্য।
কঠিন সময়েও কর্মীরা পাশে ছিলেন (Xmas Bonus)
২০০০-এর দশকে ডটকম বাবল ফেটে যাওয়ায় বড় ধাক্কা লাগে। কর্মীসংখ্যা ৯০০ থেকে নেমে আসে ৩২০-তে। কঠিন সময়েও কর্মীরা পাশে ছিলেন। ২০১৫ সালে সিইও হন গ্রাহাম ওয়াকার। তিনি কর্মীদের বলেন, কোম্পানি বড় হলে তার সুফল তারাই পাবেন।
ডেটা সেন্টার ও পাওয়ার ইনফ্রাস্ট্রাকচারে বিনিয়োগ (Xmas Bonus)
ঝুঁকি নিয়ে ডেটা সেন্টার ও পাওয়ার ইনফ্রাস্ট্রাকচারে ১৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেন ওয়াকার। কোভিডের সময়ে এই সিদ্ধান্তই সোনায় সোহাগা হয়। বিক্রি বেড়ে যায় প্রায় ৪০০ শতাংশ। অবশেষে পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট সংস্থা ইটন (Eaton) ফাইবারবন্ড কিনে নেয় ১.৭ বিলিয়ন ডলারে।
আরও পড়ুন: H1B Visa: এইচ-১বি ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট পুনর্নির্ধারণ: ভারতীয় নাগরিকদের সমস্য়া আমেরিকাকে জানাল সরকার
লক্ষ ডলারে বোনাস পাচ্ছেন কর্মীরা (Xmas Bonus)
তবে ওয়াকারের শর্ত ছিল বিক্রির ১৫ শতাংশ কর্মীদের দিতে হবে। ফলে ৫৪০ জন কর্মী গড়ে ৪ লাখ ৪৩ হাজার ডলার করে বোনাস পাচ্ছেন। কেউ ঋণ শোধ করছেন, কেউ অবসর নিচ্ছেন, কেউ স্বপ্নের ব্যবসা শুরু করছেন। এক কথায়, ফাইবারবন্ডের গল্প আজ বিশ্বাস, ধৈর্য আর মানবিক নেতৃত্বের অনন্য উদাহরণ।



