Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রত্যেক বাবা-মায়েরই স্বপ্ন থাকে (Yoga) তাঁদের সন্তান হোক মেধাবী, মনোযোগী এবং স্মরণশক্তিতে পরিপূর্ণ। কিন্তু শুধু পড়াশোনায় মন দিলেই এই লক্ষ্য পূরণ হয় না। শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের সমন্বয়ই পারে শিশুর ভবিষ্যৎ নির্মাণে সহায়ক হতে। বিজ্ঞানের মতে, শিশুর মস্তিষ্কের গঠন পাঁচ বছর বয়সের মধ্যেই প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে যায়। এই বয়স থেকেই যদি শিশুকে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি কিছু সহজ, উপযোগী ব্যায়ামের সঙ্গে পরিচিত করানো যায়, তাহলে তা তার স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিমত্তা গঠনে বড় ভূমিকা রাখে।
চলুন জেনে নিই এমনই কিছু কার্যকর ব্যায়ামের কথা- (Yoga)
পেলভিক টিল্ট (Yoga)
প্রথমেই বলা যায় পেলভিক টিল্ট-এর (Yoga) কথা। এই ব্যায়ামটি শিশুর পেশি ও মনঃসংযোগ উভয়কেই উন্নত করে। চিত হয়ে শুয়ে, দুই পা এক এক করে মাটি থেকে তোলা এবং পাঁচ সেকেন্ড ধরে রাখা-এটি মস্তিষ্কের স্নায়ুকে সক্রিয় রাখতে সহায়ক। শিশুদের শেখানো সহজ এবং অভ্যাসে পরিণত হলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়।

ট্রি পোজ বা বৃক্ষাসন (Yoga)
এরপর আসা যাক ট্রি পোজ বা বৃক্ষাসনের (Yoga) কথায়। এই ব্যায়াম ভারসাম্য রক্ষা করার ক্ষমতা বাড়ায়, এবং মনঃসংযোগ উন্নত করে। সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে এক পায়ের হাঁটু ভাঁজ করে, অপর পায়ের ঊরুর উপরে রাখলে শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখা শেখে শিশুরা। মস্তিষ্কের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এই অনুশীলন।

বালাসন বা চাইল্ড পোজ
বালাসন বা চাইল্ড পোজ একটি শান্তিপূর্ণ যোগাভ্যাস, যা শিশুর মনকে শিথিল করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এতে মাথা মাটিতে রেখে হাত সামনের দিকে প্রসারিত রাখতে হয়। এটি শিশুদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে কার্যকর, কারণ এই অবস্থায় মস্তিষ্কে অক্সিজেন প্রবাহ বৃদ্ধি পায়।

সর্বাঙ্গাসন
সবশেষে, সর্বাঙ্গাসন একটি কিছুটা জটিল কিন্তু অত্যন্ত উপকারি ব্যায়াম। এটি শিখতে সময় লাগলেও শিশুদের মধ্যে ধৈর্য এবং নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস গড়ে তোলে। ঘাড় থেকে পা পর্যন্ত এক সরলরেখায় শরীর তুলে ধরা-এই অনুশীলন শিশুদের রক্তচাপ, হরমোন ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

আরও পড়ুন: Bihar Assembly: বিহারের প্রতি পরিবারে এক জনকে সরকারি চাকরি, ক্ষমতায় এলেই আইন পাশের আশ্বাস!

এই ব্যায়ামগুলি এক দিনে রপ্ত হবে না, কিন্তু অভ্যাসে আনলে ফল মিলবেই। নিয়মিত এই অভ্যাসগুলি করলে শুধুমাত্র শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, বরং মানসিক দিক থেকেও শিশুরা অনেক বেশি উন্নত হবে।


