Last Updated on [modified_date_only] by Ananya Dey
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল : নির্বাচন কমিশনের হেয়ারিং নোটিশ (SIR) ঘিরে আতঙ্কে একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে মালদা জেলায়। কখনও আতঙ্কে জ্ঞান হারানো,কখনও আবার আত্মহত্যার চেষ্টা—এবার ফের এমনই এক ঘটনা ঘটল মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুরে।
বাবার নামের অমিল (SIR)
মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েতের খকরা গ্রামের বাসিন্দা যুবক মুন্সি নাসির আহমেদ।অভিযোগ,তাঁকে আগেও একবার হেয়ারিংয়ের নোটিশ (SIR) দেওয়া হয়েছিল।সেই আতঙ্ক কাটতে না কাটতেই আবার নতুন করে হেয়ারিং নোটিশ পাঠানো হয়।জানা গিয়েছে, বর্তমান ভোটার তালিকার সঙ্গে পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাসির আহমেদের বাবার নামের সঙ্গে অমিল ধরা পড়ে।
আরও পড়ুন : Indian Railway: চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ রুখতে কড়া রেল, স্টেশনে বসছে সোলার ক্যামেরা
হেয়ারিং আতঙ্কে অজ্ঞান (SIR)
এই নামের গরমিল বা মিসম্যাচের কারণেই বারবার তাঁকে হেয়ারিংয়ের নোটিশ পাঠানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। সর্বশেষ নোটিশ অনুযায়ী ১৯ জানুয়ারি নাসির হেয়ারিং (SIR) কেন্দ্রে হাজির হয়ে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেন। পরিবারের অভিযোগ,ওইদিন আধিকারিকরা তাঁর কাছেই একমাত্র অরিজিনাল ডকুমেন্ট দেখতে চান এবং দীর্ঘক্ষণ তাঁকে বসিয়ে রাখেন। বারবার নোটিশ ও এই আচরণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন যুবক। হেয়ারিং শেষে বাড়ি ফেরার পর থেকেই চরম আতঙ্কে ভুগছিলেন নাসির। গতকাল হঠাৎই তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।পরিবারের লোকেরা তড়িঘড়ি তাঁকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ক্ষুব্ধ পরিবার
নাসিরের দাদা মোস্তাফিজুর রহমান ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন,আগেও হেয়ারিং হয়েছে,আবারও নোটিশ পাঠানো হলো। ভাই সব কাগজ জমা দিয়েছে। তবুও শুধু ওর কাছেই অরিজিনাল ডকুমেন্ট চাওয়া হয়। বারবার এই চাপ আর ভয় দেখানোর ফলেই আজ ও হাসপাতালে। এর জন্য নির্বাচন কমিশনই দায়ী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ নির্বাচন কমিশনের হেয়ারিং প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।


