Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেশের শেয়ার বাজারে (Share Bazar) পতনের ধারা অব্যাহত রয়েছে। শেষ তিন ট্রেডিং সেশনে ধারাবাহিকভাবে সূচক পতনের সাক্ষী থাকল দালাল স্ট্রিট। এর জেরে টানা ৬ ট্রেডিং সেশন ধরে পয়েন্ট কমল ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক নিফটি৫০-র। পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান অনিশ্চয়তা এবং তার প্রভাবে অশোধিত জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির জেরে এই ডাউন ট্রেন্ড তৈরি হয়েছে বলে মত বাজার বিশ্লেষকদের।
নিফটি এবং সেনসেক্সের হাল (Share Bazar)
মঙ্গলবারের ট্রেডিং সেশনে নিফটি৫০ সূচক ১৩৩ পয়েন্ট বা ০.৫৫ শতাংশ কমে ২৪,১৫৫ পয়েন্টে বন্ধ হয়েছে। গত তিন ট্রেডিং সেশনে এই সূচক ১.৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অন্য দিকে, বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (BSE) বেঞ্চমার্ক ইনডেক্স সেনসেক্স এ দিন ৪৯৩ পয়েন্ট বা ০.৬৩ শতাংশ কমে ৭৭,২৩৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। শেষ তিন ট্রেডিং সেশনে সেনসেক্সেরও পতন হয়েছে ১ শতাংশের বেশি।
মিড ক্যাপ ও স্মল ক্যাপের পারফরম্যান্স (Share Bazar)
মঙ্গলবারের শুরু থেকেই দুই স্টক এক্সচেঞ্জের বিভিন্ন মিড ক্যাপ ইনডেক্স নিম্নমুখী ছিল। বাজার বন্ধের সময় নিফটি মিড ক্যাপ ১০০ ইনডেক্স ০.৪৩ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে, স্মল ক্যাপ সূচক দিনের শুরুতে ইতিবাচক থাকলেও বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিক্রির চাপে ধাক্কা খায়। এর ফলে সকালের প্রাথমিক বৃদ্ধি মুছে গিয়ে নিফটি স্মল ক্যাপ ১০০ ইনডেক্স প্রায় ফ্ল্যাট অবস্থাতেই দিন শেষ করে।
মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন সেক্টরাল ইনডেক্সে (Share Bazar)
এ দিন সেক্টরাল ইনডেক্সগুলির মধ্যে মিশ্র পারফরম্যান্স দেখা গিয়েছে। কিছু নির্দিষ্ট খাতে সামান্য বৃদ্ধি হলেও অধিকাংশ সূচকই লাল দাগে শেষ করেছে। এর মধ্যে উর্ধ্বমুখী সেক্টরগুলির মধ্যে রয়েছে নিফটি ইন্ডিয়া ডিফেন্স (১.২৯%), মিডিয়া (০.৬৫%), অটো (০.৩০%) এবং অয়েল অ্যান্ড গ্যাস (০.২০%) সূচক। অন্যদিকে, পতনমুখী সেক্টরগুলির মধ্যে নিফটি আইটি (-১.৯৩%), রিয়েলটি (-১.৪২%), পিএসইউ ব্যাঙ্ক (-১.০১%) এবং এফএমসিজি (-০.৭৭%)-র মতো খাতগুলিতে সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে। এ ছাড়া ট্যুরিজ়ম, মেটাল, ফিনানশিয়াল সার্ভিস, ইনফ্রাস্ট্রাকচার, ব্যাঙ্ক ও এনার্জি সেক্টরও ডাউন ছিল।
আরও পড়ুন: India vs Brazil: প্রস্তুতি কেমন? কলকাতা সফরে ব্রাজিলের প্রতিনিধিদল
বাজারে লাগাতার পতনের কারণ
পশ্চিম এশিয়ায় ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির আশা গত কয়েক সপ্তাহে কার্যত স্তিমিত হয়ে পড়েছে (Share Bazar)। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনার কোনও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়নি; উল্টে জটিলতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখা নিয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের পরস্পরবিরোধী মন্তব্য বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। এর জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে হু হু করে বাড়ছে অশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। বর্তমানে ব্রেন্ট ক্রুডের প্রতি ব্যারেলের দাম ৯১ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা ভারতীয় শেয়ার বাজারে এই বড় পতনের মূল কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



