Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উত্তর নেপালের রসুয়া জেলায় তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন ভোট কোশী নদীতে আকস্মিক হড়পা বানে ভয়াবহ ধ্বংসলীলা নেমে এসেছে(Flood Alert)। এই পর্বতমালা ঘেরা অঞ্চলে হঠাৎ পলি ও জলের তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে একাধিক জনপদ, সেতু এবং কূটনৈতিক পুলিশ পোস্ট। ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও ব্যবসা-বাণিজ্য।
নেপালের তীব্র ক্ষয়ক্ষতি (Flood Alert)
সীমান্তবর্তী শহর ক্ষতিগ্রস্ত: তিমুরে বাজার ও স্যাফ্রুবেসি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শতাধিক যানবাহন, কাস্টমস ওয়্যারহাউস ও বসতবাড়ি ধুয়েমুছে গেছে।
সেতু ও বিদ্যুৎ সংকট: চীন-নেপাল বাণিজ্যের প্রধান মাধ্যম ‘ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ’ ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ৪৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।
বিহারে হাই অ্যালার্ট
ভোট কোশী নদী মিশেছে ত্রিশূলী নদীতে, যা ভারতে প্রবাহিত হয়েছে ‘গণ্ডক’ নামে। ফলে উত্তর বিহারে চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ জেলা: পশ্চিম চম্পারণ, পূর্ব চম্পারণ, গোপালগঞ্জ, মুজফফরপুর ও সীতামঢ়ীতে সর্বোচ্চ নজরদারি চলছে।
ব্যারেজে নজর: বাল্মীকিনগর ব্যারেজ ও কোশী নদীর বীরপুর ব্যারেজে বাড়তি জলসংকটের কারণে লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। নদীবর্তী চরাঞ্চলের অধিবাসীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হচ্ছে।
উত্তরপ্রদেশে দ্বিগুণ আঘাত (Flood Alert)
পূর্ব উত্তর প্রদেশে নেপালের জলপ্রবাহের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে অতি ভারী বৃষ্টিপাত সংকট বাড়িয়ে দিয়েছে।
সংকটময় অঞ্চল: কুশীনগর, মহারাজগঞ্জ, গোরক্ষপুর ও বারাণসীতে জলস্তর দ্রুত বাড়ছে।
সুরক্ষা ব্যবস্থা: কুশীনগরের ‘ছিতৌনি-বান্ধু’ বাঁধ সুরক্ষায় পুলিশ ও সেচ বিভাগ সতর্ক রয়েছে। রাপ্তি ও রোহিণী নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি।
আরও পড়ুন: Pak Current State: পাকিস্তান কি ভাঙনের মুখে? প্রবল সংকটে বিপন্ন অখণ্ডতা
ভৌগোলিক কারণ ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ (Flood Alert)
হিমালয়ের উঁচুতে অবস্থিত তিব্বত ও নেপালের নদীগুলো খাড়া গিরিখাত দিয়ে দ্রুত ভারতের সমতল ভূমিতে নেমে আসে। চীন থেকে সময়মতো তথ্য না পাওয়া এবং মহাপরিকল্পনার ধীরগতি এই সীমান্ত-পারের বন্যা নিয়ন্ত্রণকে কঠিন করে তুলেছে। ভারত ও নেপাল যৌথভাবে বাঁধ পাহারা এবং ত্রাণ তৎপরতা জোরদার করেছে।



