Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ত্রয়ণ চক্রবর্তী: পশ্চিমবঙ্গে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধীনে নিয়ে আসার প্রসঙ্গে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা (Samik Bhattacharya)। একই সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা, মাদ্রাসা বোর্ড এবং রাজ্যে পৃথক শিক্ষাব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। এই পরিস্থিতিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য তাঁর দলের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
“ব্যবস্থা তো একটাই হওয়া উচিত” (Samik Bhattacharya)
আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধীনে আনা এবং মুখ্যমন্ত্রীর ‘একটি শিক্ষাব্যবস্থা’-র বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “ব্যবস্থা তো একটাই হওয়া উচিত, এটাই আমাদের সুস্পষ্ট অবস্থান।” তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই অবস্থান শুধু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে নয়, গোটা দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য বলে মনে করে তাঁর দল।
ছাত্রছাত্রীদের মানোন্নয়নই মূল লক্ষ্য (Samik Bhattacharya)
শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নের বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি বলেন, সমস্ত ছাত্রছাত্রীর মানোন্নয়ন ও উত্তরণ নিশ্চিত করতে শিক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি। তাঁর মতে, শিক্ষার ক্ষেত্রে এমন কোনও পৃথক ব্যবস্থা থাকা উচিত নয়, যা ছাত্রছাত্রীদের অগ্রগতির পথে বাধা তৈরি করতে পারে।
“সমান্তরালভাবে দুটি শিক্ষাব্যবস্থা চলতে পারে না”
শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “সারা দেশে একটিই শিক্ষাব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত জরুরি।” তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষও বিষয়টি বোঝেন। তাঁর মতে, একই রাজ্যে বা দেশে সমান্তরালভাবে দুটি পৃথক শিক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘদিন চলতে পারে না। তাঁর বক্তব্যে একক ও অভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থার পক্ষে জোরালো সওয়াল উঠে এসেছে।
দলের অবস্থানও একই
শেষ পর্যন্ত শমীক ভট্টাচার্য জানিয়ে দেন, এটি শুধুমাত্র তাঁর ব্যক্তিগত মত নয়। তাঁর কথায়, “আমাদের সরকারেরও অবস্থান এটাই। আমাদের দলেরও অবস্থান এটাই।” ফলে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধীনে আনার বিতর্কের পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়েও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তাঁর বক্তব্যে সরাসরি মাদ্রাসা বন্ধ করার ঘোষণা নয়, বরং একক শিক্ষাব্যবস্থার পক্ষে দলের নীতিগত অবস্থানই স্পষ্ট হয়েছে।



