Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চিটফান্ড সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Chit Fund Case)। বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দেশের একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তকারী সূত্রের খবর, কলকাতার ছ’টি ঠিকানা এবং মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের একাধিক জায়গা মিলিয়ে মোট ১৭টি ঠিকানায় এই অভিযান চলছে। ভোর থেকেই শুরু হওয়া এই তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিভিন্ন এলাকায়।

ভোরেই একাধিক ঠিকানায় ED-এর হানা (Chit Fund Case)
সূত্রের খবর, বুধবার ভোর প্রায় ৬টা নাগাদ কলকাতার নারকেলডাঙা, নেতাজিনগর এবং রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার বিভিন্ন ঠিকানায় পৌঁছে যান ED আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাড়ি এবং অন্যান্য জায়গায় ঢুকে নথিপত্র ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
চিটফান্ডের টাকা কি নির্মাণ ব্যবসায়? (Chit Fund Case)
তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক বলে মনে করা হচ্ছে অর্থের গতিপথ। তদন্তকারীদের সন্দেহ, চিটফান্ডের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ সরাসরি বা ঘুরপথে নির্মাণ ব্যবসায় বিনিয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে। সেই বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থের উৎস আড়াল করে তা বৈধ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি চিটফান্ড সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কথিত ‘লিঙ্কম্যান’দের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত চলছে। কার মাধ্যমে টাকা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরানো হয়েছিল, সেই বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন আধিকারিকরা।
বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ
সূত্রের দাবি, সংশ্লিষ্ট একটি চিটফান্ড সংস্থা নির্মাণ ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগের কথা বলে বিনিয়োগকারীদের মোটা অঙ্কের রিটার্ন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, বহু বিনিয়োগকারী প্রতিশ্রুত সুদ-সহ তাঁদের টাকা ফেরত পাননি। এরপর বিভিন্ন থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয় এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলার তদন্ত শুরু হয়।
নজরে আর্থিক লেনদেন ও নথি (Chit Fund Case)
বুধবারের অভিযানে মূলত আর্থিক নথি, লেনদেনের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। চিটফান্ডের টাকা কোথায় গিয়েছে, কোন কোন ব্যক্তি বা সংস্থার মাধ্যমে সেই অর্থ ঘুরেছে এবং তার সঙ্গে কোনও বেআইনি লেনদেনের যোগ রয়েছে কি না—সব দিকই খতিয়ে দেখছে ED।

আরও পড়ুন: USA: ট্রাম্পের ভিসা কড়াকড়ি সত্ত্বেও আমেরিকায় বাড়ছে ভারতীয়
তবে তল্লাশি অভিযান থেকে এখনও পর্যন্ত কী কী নথি বা তথ্য উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার তরফে বিস্তারিত কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে ১৭টি ঠিকানায় চলা এই ম্যারাথন তল্লাশি শেষে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর।



