Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা সংক্রান্ত নিয়মকানুন আরও কঠোর হলেও ভারতীয়দের আমেরিকায় যাওয়া এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের প্রবণতা কমছে না (USA)। বরং গত দুই দশকে আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে ভারতীয়দের ঘনবসতি তৈরি হয়েছে। এমন ৫০টিরও বেশি এলাকায় গড়ে উঠেছে ভারতীয় অধ্যুষিত ‘মিনি ইন্ডিয়া’। আগামী পাঁচ বছরে এই সংখ্যা ৭৫-এর কাছাকাছি পৌঁছতে পারে বলেও অনুমান করা হচ্ছে।
ক্যালিফোর্নিয়াতেই সবচেয়ে বেশি ভারতীয় (USA)
আমেরিকায় ভারতীয়দের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া। সেখানে প্রায় ৯.৩ লক্ষ ভারতীয় বসবাস করেন। প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং ওষুধ শিল্পে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকায় এই রাজ্য ভারতীয় পেশাজীবীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সিলিকন ভ্যালি হয়ে উঠেছে ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ ও উদ্যোক্তাদের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
দ্বিতীয় স্থানে টেক্সাস, বদলে যাচ্ছে শহরের চেহারা (USA)
ভারতীয় জনসংখ্যার নিরিখে ক্যালিফোর্নিয়ার পরেই রয়েছে টেক্সাস। সেখানে প্রায় ৫.৪ লক্ষ ভারতীয় বসবাস করেন। বিশেষ করে ফ্রিসকো শহরের জনসংখ্যার প্রায় ১৯ শতাংশ ভারতীয় বংশোদ্ভূত বলে দাবি করা হচ্ছে। ২৫ বছর আগেও যে এলাকা কৃষিনির্ভর ছিল, আজ সেখানে গড়ে উঠেছে ভারতীয় মন্দির, রেস্তোরাঁ, দোকান এবং নানা সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
ডাবলিন-সান রামোনেও ভারতীয়দের দাপট (USA)
ক্যালিফোর্নিয়ার ডাবলিন ও সান রামোন এলাকায় ভারতীয় জনসংখ্যার হার প্রায় ১৮ শতাংশ। ডাবলিনের স্কুলগুলিতেও ভারতীয় বংশোদ্ভূত পড়ুয়ার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ফলে শুধু বসতি নয়, স্থানীয় শিক্ষা ও সামাজিক পরিকাঠামোতেও ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রভাব ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে।
সিলিকন ভ্যালিতে ভারতীয়দের উত্থান (USA)
আমেরিকার প্রযুক্তি দুনিয়ায় ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের প্রভাব দীর্ঘদিনের। বর্তমানে সিলিকন ভ্যালির প্রায় ৩৫ শতাংশ স্টার্টআপে অন্তত একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত সহ-প্রতিষ্ঠাতা রয়েছেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি থেকে স্টার্টআপ—বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতীয় প্রতিভার উপস্থিতি ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে।
আয়ের ক্ষেত্রেও এগিয়ে ভারতীয় পরিবার
ভারতীয়দের অর্থনৈতিক সাফল্যও এই ‘মিনি ইন্ডিয়া’গুলির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন পরিবারের গড় বার্ষিক আয় যেখানে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা, সেখানে ভারতীয় পরিবারের গড় আয় প্রায় ১.৫৪ কোটি টাকা। উচ্চশিক্ষা, প্রযুক্তি এবং পেশাদার চাকরির সুযোগ এই আর্থিক ব্যবধান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।



