Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: দীর্ঘ টানাপড়েনের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে ফের কথাবার্তার আবহ (Tarique Rahman)। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে দিল্লি ও ঢাকার সরকারি স্তরে। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে সফরের জন্য সম্ভাব্য সময় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখনও কোনও চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা হয়নি।

দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ সক্রিয় করার চেষ্টা (Tarique Rahman)
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই দু’দেশের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। তার উপর ভারতে থাকা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়েও ঢাকায় প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই এবার দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ ফের সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে।
তারেকের দিল্লি সফর (Tarique Rahman)
সূত্রের খবর, সম্ভাব্য দিল্লি সফরের আলোচ্যসূচিতে থাকতে পারে বাণিজ্য, জলবণ্টন এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত কিছু বিষয়। বিশেষ নজরে রয়েছে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তির নবীকরণ। চুক্তিটির মেয়াদ চলতি বছরের শেষেই শেষ হওয়ার কথা। ফলে সময়ের দিক থেকেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক টানাপড়েনের প্রভাব পড়েছিল দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কেও। তাই স্বাভাবিক বাণিজ্যিক যোগাযোগ ফিরিয়ে আনার বিষয়টিও আলোচনায় আসতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রের দাবি।
কবে আসছেন তারেক?
চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পর তারেকের সঙ্গে ফোনেও কথা বলেন মোদী এবং দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। আগস্টে তারেকের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। সেপ্টেম্বরের ব্রিক্স সম্মেলনেও তিনি যোগ দেননি। এবার নভেম্বরের সম্ভাব্য সফর নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হওয়ায় নজর পড়েছে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের দিকে। তবে সফরের তারিখ, আলোচনার চূড়ান্ত বিষয় এবং সম্ভাব্য কোনও সমঝোতা-কোনওটাই এখনও নিশ্চিত নয়। ফলে আপাতত দিল্লি-ঢাকার কূটনৈতিক কথাবার্তাই নজরে রাখছে দু’দেশ।



